Type Here to Get Search Results !

Husband Wife Jokes স্বামী-স্ত্রী (Unique)

 



স্ত্রী: আমি যা বলি তা তোমার এক কান দিয়ে ঢোকে, অন্য কান দিয়ে বেরিয়ে যায়। স্বামী: আর আমি যা বলি, তা তোমার দু’কান দিয়ে ঢোকে আর খই ফোটার মতো মুখ দিয়ে তৎক্ষণাৎ বেরিয়ে যায়।
স্ত্রী স্বামীকে বাপের বাড়ি থেকে ফোন করে বলল, তাঁকে ছাড়া থাকতে পারবেন না। স্বামী উত্তরে বলল, আরে পাগলি মেয়ে. যদি ZEE পছন্দ না হয়, তাহলে Star এবং Sony চেষ্টা করে দেখতে পারো, তারাও ভালো চ্যানেল!
স্ত্রী স্বামীকে বলছে.. সে অনেক মোটা হয়ে গিয়েছে। পাল্টা স্বামীও স্ত্রীকে বলছে.. সেও মোটা হয়ে গিয়েছে। স্ত্রী বলে সে মা হতে চলেছে। স্বামী বলে সে বাবা হতে চলেছে।
বিয়ের পঞ্চাশতম বার্ষিকী পালন করছিলেন আমেরিকান স্বামী-স্ত্রী । শহরের সবচেয়ে দামি হোটেলে রোম্যান্টিক ডিনার শেষে স্বামী হঠাৎ স্ত্রীর হাত ধরে বলা শুরু করলেন.. দেখো লিন্ডা, দেখো...! আমাদের প্রথম 5 টি সন্তানই দেখতে আমাদের পরিবারের কারও না কারও মতো। কিন্তু শুধুমাত্র ষষ্ঠজনই কারও মতোই দেখতে হয়নি। আমি সারা জীবন তোমাকে যেমন ভালোবেসেছি বাকি দিনগুলোতেও একইভাবে ভালোবেসে যাব। আমি কথা দিচ্ছি। শুধু একবার আমাকে সত্যি করে বল, তার বাবা কি আলাদা কেউ? প্লিজ লিন্ডা আমি শুধুই জানতে চাইছি । আর কিছু নয়। স্ত্রী: অনেক্ষন চুপ করে থেকে বলল.. তু - তুমি ঠিক ধরেছ। স্বামী: কে ? কে তবে তার বাবা ? স্ত্রী: তুমি।
স্ত্রী: স্বামীকে বাপের বাড়ি থেকে ফোন করে বলল.. তাঁকে ছাড়া থাকতে পারবেন না। স্বামী: উত্তরে বলল, আরে পাগলি মেয়ে. যদি ZEE পছন্দ না হয়, তাহলে Star এবং Sony চেষ্টা করে দেখতে পারো, তারাও ভালো চ্যানেল!
বিয়ের রাতে বাসর ঘরে- মাহিঃ মলিকে বলল বিয়ের আগে আমি ১০ টা মেয়ের সাথে শুয়েছি! মলিঃ আমি জানি! মাহিঃ কেমনে? মলিঃ স্বামী ও স্ত্রীর চরিত্র তো একই রকম হয়, তাই নয় কি, ...আমিও।
এক লোক বাজার করতে গিয়ে বন্ধুদের কপ্পরে পড় গেল | বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিতে দিতে দেরি হয়ে গেল | বাসায় ফিরলে বউ এখন স্লেজিং শুরু করবে, এই কথা ভেবে তার গলা শুকিয়ে সাহারা মরুভূমি | তো অজুহাত কী দেওয়া যায় ভাবতে ভাবতেই দারুন বুদ্ধি পেয়ে গেল | বাসার কাছাকাছি আসতেই বাজারের ব্যাগ থেকে চিংড়ি নিচে ছেড়ে দিল | বাসা থেকে বের হয়ে বউ সামনে আসতেই লোকটি চিংড়ি গুলোকে উদ্দেশ করে বলল, হাঁট হাঁট জোরে হাঁট | তোদেরকে হাঁটিয়ে আনতেই তো এতো দেরি হয়ে গেল…|
স্বামী প্রতিদিন অনেক রাত করে বাসায় ফেরেন। এই নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া। স্বামী (মোবাইলে): আজ রাতের খাবার কী? স্ত্রী (রেগে): বিষ আছে! বিষ! স্বামী: (হাঁসতে হাঁসতে) ঠিক আছে, তুমি খেয়ে শুয়ে পড়ো। আমার ফিরতে আরও দেরি হবে।
একটি লোক মার্কেটে কেনা-কাটার সময় এক ভদ্রমহিলাকে বলছেন, ‘এই যে শুনুন।’ ভদ্রমহিলা: বলুন.. লোক: আমি এখানে এসে আমার স্ত্রীকে হারিয়ে ফেলেছি। আমি কি আপনার সঙ্গে কিছুক্ষণ কথা বলতে পারি? ভদ্রমহিলা: আপনি আপনার স্ত্রীকে হারিয়ে ফেলেছেন তো আমার সঙ্গে কথা বলতে চাইছেন কেন? লোক: না মানে… আমি লক্ষ দেখেছি, আমি যখনই কোনো অপরিচিত নারীর সঙ্গে কথা বলতে নিই, তখনই কোথা থেকে যেন আমার স্ত্রী এসে হাজির হয়!
স্ত্রী: তুমি কি কখনো ভেবে দেখেছ, আমি একদিন মরে যাব। স্বামী: তুমি মরে গেলে আমিও যে মারা যাব ! স্ত্রী: কিন্তু কেন? স্বামী: কারণ এত আনন্দ আমি আর সহ্য করতে পারব না!
স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ফোনে কথা হচ্ছে। স্ত্রী: (ধমকের স্বরে) কোথায় তুমি? স্বামী: তোমার সেই জুয়েলারির দোকানটার কথা মনে আছে, যে দোকানের একটা গয়নার সেট তুমি পছন্দ করেছিলে এবং বলছিলে, ‘ইশ্! যদি এটা কিনতে পারতাম?’ স্ত্রী: (গদগদ স্বরে) হ্যাঁ প্রিয়তম, মনে আছে! স্বামী: সেই জুয়েলারির দোকানের ঠিক পাশের দোকানে বসে আমি চা খাচ্ছি।
স্বামী: দুবাই যাচ্ছি। স্ত্রী: আমার জন্য স্বর্ণের অলংকার নিয়ে এসো। স্বামী: আমেরিকা যাচ্ছি। স্ত্রী: আমার জন্য মেকআপ বক্স নিয়ে এসো। স্বামী: প্যারিস যাচ্ছি। স্ত্রী: আমার জন্য পারফিউম নিয়ে এসো। স্বামী: জাহান্নামে যাচ্ছি। স্ত্রী: "তুমি আমার জন্য চিন্তা করো না, নিজের যত্ন নিও।"
রাত বারোটা, প্রযুক্তি থেকে পিছিয়ে পড়া একজন নতুন বিবাহি লোক মোবাইলে ইন্টারনেট সক্রিয় করতে গ্রাহক পরিষেবাকে কল করে৷ লোকঃ ভাই, আমার মোবাইলে কিভাবে ইন্টারনেট চালু করবো? ঐ যে আছে না, ইয়ে টিয়ে দেখা যায় যেখানে ঢুকে। কাস্টমার ম্যানেজারঃ আমি দুঃখিত স্যার। আমি দেখতে পাচ্ছি আপনার হ্যান্ডসেটটি হল Nokia 1100, এইটাতে তো ইন্টারনেটে কাজ করে না। লোকঃ বলেন কি! ও বউ তাড়াতাড়ি গায়ে চাদর টানো, আলো বন্ধ করো, সে আমাদের ঘরের সবকিছু দেখতে পাচ্ছে।
তাদের বিয়ের ১০ তম বিবাহ বার্ষিকীতে স্ত্রী বিষন্ন ভঙ্গিতে স্বামীকে বলে, “তুমি আমাকে কখনোই ভালোবাসোনি!” … স্বামী রেগে গিয়েঃ “তাহলে কি আমি এই হাফ ডজন ছেলে মেয়েকে কে কি 'ইন্টারনেট' থেকে Download করছি?
বল্টু কুমিল্লা থেকে তার বউ- কে ফোন করল, ফোনটা এক চাকর ধরল- চাকর: হ্যালো। বল্টু: ম্যাম সাহেবকে ফোনটা দে। চাকর: কিন্তু ম্যাডাম তো সাহেবের সাথে বেডরুমে ঘুমাচ্ছে। বল্টু: মানে?? সাহেব তো আমি । চাকর: আমি এখন কি করব?? বল্টু: ওদের দুইজনকে-ই গুলি করে মেরে ফেল আমি ৫ লাখ টাকা দিব। চাকর দুইজন- কে গুলি করে মারার পর, চাকর: সাহেব, লাশ ২টা এখন কি করব?? বল্টু: লাশ ২টা বাড়ির পিছনের 'সুইমিং পুল' এ ফেলে দে। চাকর: কিন্তু সাহেব, বাড়ির পেছনে কোনো সুইমিং পুল নেই। বল্টু: নেই??? ওহ sorry তাহলে Wrong Number!!!
স্ত্রী : এই শুনছো.., আমি যখন কাজে ব্যস্ত থাকবো তখন হঠাৎ করে আমাকে পেছন থেকে জড়িয়ে ধরো না । এ কথা শুনে পাশের ঘর থেকে কাজের বুয়া বলে উঠল.. “হ আফা ! আপনিই বুঝান তারে । আমিতো বুঝাইতে বুঝাইতে হয়রান হইয়া গেছি ।
স্ত্রী : তুমি আমাকে কতটুকুভালবাস ??? স্বামী : সবচেয়ে বেশি. স্ত্রী : প্রমান কি ??? স্বামী : ডার্লিং.. উপরওয়ালা যদি আমার প্রিয় জিনিসগুলির মধ্যে একটি কোরবানি করতে বলেন, তাহলে বিশ্বাস কর, আমি তোমাকেই কোরবানি করব! আই লাভ ইউ সো মাচ ডার্লিং !!
স্ত্রী: ওগো শুনছ, আমার কিছু জিনিস প্রয়োজন। স্বামী: কী? স্ত্রী: বাচ্চাদের আর আমার জন্য পাঁচ সেট পোশাক। বিছানার চাদর, কিছু নতুন চেয়ার, একটা ফ্রিজ, একটা এলসিডি টিভি, ছেলের জন্য একটি মোবাইল, মেয়ের জন্য গয়না.. স্বামী: সে ক্ষেত্রে আমারও কিছু জিনিস প্রয়োজন। স্ত্রী: কী? স্বামী: একটা বন্দুক, একটা মুখোশ আর শহরের একটা ব্যাংকের পুরো নকশা.
শাকিল তার বন্ধুর বাসায় গেল। সে গিয়ে দেখল তার বন্ধুর স্ত্রী কাঁদছে। শাকিল: কিরে, তোর বউ কাঁদছে কেন? বন্ধু: জানি না। জিজ্ঞেস করিনি। শাকিল: ওমা! জিজ্ঞেস করিসনি কেন? বন্ধু: আগে যতবার জিজ্ঞেস করিছি, প্রতিবারই আমাকে ফতুর হতে হয়েছে!
মার্কেটে গিয়ে আরাম খান তার বউকে হারিয়ে ফেললো। হন্তদন্ত হয়ে হাঁঠতে গিয়ে ধাক্কা খেলো আরেক জনের সাথে। আরাম খান বললো, আমি দু:খিত, আমার স্ত্রীকে খুঁজে পাচ্ছি না। ওর চিন্তায় কোথায় যাচ্ছি খেয়াল করতে পারিনি। দ্বিতীয় জন বললঃ আমিও তো আমার স্ত্রীকে হারিয়ে হারিয়েছি। আরাম খান বললো, তোমার স্ত্রী দেখতে কেমন? তাহলে হয়তো আমি খুঁজে পেতে সাহায্য করতে পারি। দ্বিতীয় জন বললো, আমার স্ত্রী লাল চুলের, সবুজ চোখ, লম্বা সুগঠিত পা আর শর্ট স্কার্ট পরে আছে। তোমার স্ত্রী দেখতে কেমন? আরাম খান বললো, আমারটার কথা বাদ দাও। চলো তোমার স্ত্রীকে খুঁজি।
একজন লোক তার স্ত্রীকে টেক্সট করে জিজ্ঞেস করল, "তুমি কি করছ?" ‘আই অ্যাম ডায়িং।’ লোকটি আনন্দে নেচে উঠে আবার লিখল, ‘সুইট হার্ট, আমি কী করে বাঁচব তোমাকে ছাড়া?’ ‘দূর বোকা, আমি আমার চুল ডাই করছিলাম!’
ত্রী: আমার সঙ্গে ১০ বৎসর সময় কাটানো তোমার কাছে কি মনে হয়? স্বামী: আরে সে এক সেকেন্ড মনে হয়। চোখের পলকে কেটে গেল প্রিয়... স্ত্রী: (খুশি হয়ে) আমার জন্য ১০,০০০ টাকা তোমার জন্য কি? স্বামী: আরে সেত ১ টাকার মত। কোন ব্যাপারই না। স্ত্রী: (ততধিক খুশি হয়ে)তা জানু আমাকে ১০,০০০ টাকা দিতে পারবে এখন? স্বামী: (গম্ভির হয়ে) দাড়াও এক সেকেন্ড পরে দেই।
নতুন স্বামী স্ত্রী সিনেমা দেখতে গেছে। সিনেমা দেখছে আর হড়বড় করে কথা বলছে। এক দর্শক বিরক্ত হয়ে বলল, আরে ভাই, কী এত কথা বলছেন? কিছুই তো শুনতে পাচ্ছি না। তখন নতুন স্বামী বলল, স্বামী স্ত্রীর কথা আপনি শুনবেন কেন?
স্ত্রী মৃত্যুশয্যায়। পাশে স্বামী- স্ত্রীঃ ওগো কথা দাও আমি মারা গেলে তুমি আর বিয়ে করবে না? স্বামীঃ দু মিনিট সময় দাও। স্ত্রীঃ দু মিনিট কেন? স্বামীঃ পলির সাথে একটু আলোচনা করে নেই।
১ম বন্ধুঃ তোর স্যুটটা তো বেশ সুন্দর। কোথায় পেলি? ২য় বন্ধুঃ আমার স্ত্রী এটা আমাকে দিয়েছে একটা সারপ্রাইজ গিফট হিসেবে। ১ম বন্ধুঃ কেমন সারপ্রাইজ? ২য় বন্ধুঃ অফিস থেকে ফিরে আমি দেখি সোফার উপর এই স্যুটটা পড়ে আছে।
শায়লা সদ্য বিবাহিত বন্ধুকে জিজ্ঞেস করল: তোমার স্বামী কেমন আছে? বান্ধবীঃ স্বামী আর পেঁচার মধ্যে কোন পার্থক্য নেই! শায়লাঃ কেন, এমন কথা বলছিস কেন? বান্ধবীঃ কারণ স্বামীরা তার বউদের সব ভাল জিনিস শুধু রাতের বেলাতেই খুজে পায়।
স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ফোনে কথা হচ্ছে। স্ত্রী: (ধমকের স্বরে) কোথায় তুমি? স্বামী: সোনা, তোমার কি সেই জুয়েলারির দোকানটার কথা মনে আছে, যেখানে একটা গয়নার সেট তুমি পছন্দ করেছিলে এবং বলছিলে, ‘ইশ্! যদি এটা কিনতে পারতাম?’ স্ত্রী: (দীর্ঘশ্বাস ফেলে) হ্যাঁ সোনা, মনে আছে! স্বামীঃ আমি সেই গয়নার দোকানের পাশের দোকানে বসে চা খাচ্ছি।
স্বামী তার স্ত্রীকে জিজ্ঞেস করলেন বিয়ের আগে সে কাউকে ভালোবাসতো কিনা? স্ত্রী বলল, হ্যাঁ। স্বামী রাগান্বিতভাবে বলল, তাহলে ওই হতচ্ছাড়ার নাম বলো। এক্ষুনি গিয়ে তার দাঁত ভেঙে দিয়ে আসি। স্ত্রী বলল, ওগো, তুমি একা কি তাদের সবার সঙ্গে পারবে?
বাসর রাতে বল্টু তো খুব CONFUSE! বউয়ের সাথে যে কি কথা বলবে? আধঘণ্টা ভাবার পর বল্টু তার স্ত্রীকে বলল, "তোমার পরিবার কি জানে তুমি আজ এখানে থাকবে?"
১ম বন্ধু : বউয়ের সাথে ঝগড়ার কি হল? ২য় বন্ধু : মাথা নিচু করে ও আমার কাছে এলো। ১ম বন্ধু : মাথা নিচু করে? তাই নাকি? জোস তো। ২য় বন্ধু : তাছাড়া আর কি… ১ম বন্ধু : কি বলল এসে? ২য় বন্ধু : খাটের নিচ থেকে বের হোউ. এখন মারবো না।
স্ত্রী একটি নতুন সিম কার্ড কিনে তার প্রিয়তম স্বামীকে surprise দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল। স্বামী শোবার ঘরে বসে ছিল। তারপর স্ত্রী টয়লেটে গিয়ে স্বামীকে নতুন নাম্বার থেকে কল করলো, হ্যালো জান! স্বামীঃ (খুব নিচু স্বরে) সোনা, আমি তোমাকে একটু পরে ফোন করব, আমার বউ বাথরুমে আছে, সে যেকোনো সময় এসে পরবে! স্বামীর অনুপস্থিতিতে স্ত্রী তার পুরানো প্রেমিকের সাথে বসে গল্প করছিল। এমন সময় হঠাত স্বামী এসে পড়লে প্রেমিক আলমারির পিছনে লুকিয়ে গেল। ঘরের মেঝেতে চুরুট পড়ে থাকতে দেখে স্বামী রেগে গেল। বলে উঠল,এই চুরুট কোথা থেকে এসেছে?? স্ত্রী কিছু বলতে পারল না দেখে স্বামী আরো রেগে গেল । স্বামী বলল তোমাকে বলতেই হবে এই চুরুট কোথাকার? প্রেমিক বন্ধুটি সহ্য করতে না পেরে আলমারির পিছন থেকে বের হয়ে বলল,ও তো মেয়ে মানুষ ,ও কি করে জানবে এই চুরুট কোথাকার?? আপনি পুরুষ মানুষ হয়ে ও চিনতে পারছেন না যে এই চুরুট আমেরিকার ।
বিয়ের পরদিন সকালের নাশতায় রুটিতে কামড় দিয়ে স্বামী বলল, ‘একি! রুটিতে এটা কী লাগিয়েছ?’ নতুন বউ জবাব দেয়,‘রুটি পুড়ে গেছিল তো, তাই মাখনের বদলে স্যাভলন ক্রিম মাখিয়ে দিলাম। ভালো হয়নি খেতে?
স্বামীঃ আজ বাসায় কি কি রান্না হবে? স্ত্রীঃ আপনি যা বলেন। স্বামীঃ আচ্ছা মাছ রান্না কর। স্ত্রীঃ গতকাল ই না করলাম? স্বামীঃ তাহলে সবজী রান্না কর। স্ত্রীঃ বাচ্চারা পছন্দ করেনা। স্বামীঃ তাহলে কিমা রান্না কর। স্ত্রীঃ এটা তো আমি পছন্দ করিনা। স্বামীঃ হুম পরোটা হলে কেমন হয়? স্ত্রীঃ রাতে পরটা কে খাবে! স্বামীঃ তাহলে আজ রান্নাটা হবে কি? স্ত্রীঃ আপনি যা বলেন!
এক স্বামীর তার স্ত্রীকে পেটানোর ইচ্ছা হয়েছে, কিন্তু স্ত্রীর কোন দোষ পাচ্ছে না। সে অনেক চিন্তা ভাবনা করার পরও তার স্ত্রীর কোনো দোষ পাচ্ছে না। হঠাৎ স্বামী বাইরে থেকে এসে দেখে বাড়ির উঠানে একটি কুকুর শুয়ে আছে। এটা দেখে সে আর দেরি না করে দ্রুত ঘরে ঢুকে স্ত্রীকে পেটাতে থাকে। স্ত্রীঃ (কাঁদো কণ্ঠে) আমারে মারতাছ ক্যান? আমি কি করছি? স্বামীঃ ঐ হারামজাদি বাইরে এতক্ষণ ধইরা কুত্তা শুইয়া রইছে তুই বালিশ দেস নাই ক্যান?
স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথোপকথন— স্বামী: পাশের ভাড়াটিয়ার কাছ থেকে একটু চিনি নিয়ে এসোতো? স্ত্রী: ওরা আমাদের চিনি দেবেনা। স্বামী: ওরা তো খুব কঞ্জুস! স্ত্রী: ওদের কিপ্টেমির কথা আর বোলো না। স্বামী: তাহলে আর কী করা; আমাদের আলমারি থেকেই চিনি বের করে চা করে নিয়ে এসো, যাও..
স্বামী আর স্ত্রীর মধ্যে প্রচন্ড ঝগড়া। মুখ দেখা, কথা বন্ধ। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার সময় স্বামীর মনে পড়ল পরের দিন ভোরের ফ্লাইটের কথা। এদিকে বেচারা স্বামী সকালে উঠতে পারে না। সাত-পাঁচটা ভাবতে ভাবতে একটা কাগজে লিখলো আগামীকাল কাল সকাল চারটার সময় ডেকে দিও।” কাগজটি স্ত্রীর বালিশের কোণে চাপা দিয়ে স্বামী নিশ্চিন্তে ঘুমিয়ে পড়ল। পরের দিন সকালে সাড়ে আটটার সময় স্বামীর ঘুম ভাংল। সময় দেখে তার তো চক্ষু চড়কগাছ। রেগেমেগে চিৎকার করে স্ত্রীকে ডাকতে গিয়ে তার নজরে পড়ল বালিশের পাশে একটা চিরকুট। চিরকুট টা খুলে দেখে লেখা আছে.... ”চারটে বেজে গেছে, উঠে পড়ো।”
স্বামী ও স্ত্রী :- *ক্রিকেট খেলা দেখছে তো, প্রথম উইকেট ৩ বলেই আউট হলো. দ্বিতীয় উইকেট ৫ বলে আউট হলো. তৃতীয় উইকেট ২ ওভারে আউট হলো খেলার এক পর্যায়ে স্বামী চটে :-@ গিয়ে বললো.. কি ব্যাটসম্যান মাঠে নামছে 5 মিনিট ও খেলতে পারে না । তখন স্ত্রী রেগে :বললো.. বুঝো এখন. . . . যখন তুমি চার মিনিটের মাথায় খেলা শেষ কর তখন আমার ক্যামন লাগে?
স্বামী, স্ত্রী তুমুল ঝগড়ার পর, তার ব্যাগে কাপড় গোছাতে শুরু করেন। স্বামীঃ ব্যাগ গোছাও কেন? স্ত্রীঃ আমি আমার মায়ের কাছে চলে যাচ্ছি। এরপর স্বামীও ব্যাগ গোছানো শুরু করল। স্ত্রীঃ তুমি আবার কই যাও!!! স্বামীঃ আমিও আমার মায়ের কাছে চলে যাচ্ছি। স্ত্রীঃ তাহলে আমাদের এই ৯ টা বাচ্চাকাচ্চা দেখবে কে? স্বামীঃ তুমি তোমার মায়ের কাছে যাচ্ছ, Fine, আমিও আমার মায়েরকাছে যাচ্ছি। সেই অনুযায়ী বাচ্চাকাচ্চাদেরও তাদের মায়ের কাছেই যাওয়া উচিত।
প্রথম বন্ধুঃ জানিস টগর এমন একটি মেয়েকে বিয়ে করেছে যে নাচ,গান,ছবি আঁকা, সাহিত্য, রাজনীতি,ফিজিক্স, কেমিস্ট্রি, বায়োলজি সব জানে, তার ওপর কবিতাও লেখে! বোঝ! দ্বিতীয় বন্ধুঃ আহা টগরের কী ভাগ্য রে, তবে ভাগ্যিস ও নিজে রাঁধতে জানে!
অন্ধকার রাত…লোডশেডিং চলছে। এক নববিবাহিত দম্পতি তাদের বেডরূমে বসে আছে। জানালা দিয়ে দখিনা বাতাস আসছে। বাতাসে স্ত্রীর ঘনকালো চুল এলোমেলো হয়ে যাচ্ছে। আবছা চাঁদের আলোয় তারা একে অপরের দিকেগভীর দৃষ্টিতে আছে… বুঝতেই পারছেন খুব রোমান্টিক পরিবেশ। এমন একটা মুহূর্তে স্ত্রী স্বামীর খুব কাছে এসে খুব ক্ষীণকন্ঠে বলল.. “তুমি বুঝতে পারছো না, আমি তোমার কাছে কী চাইতে পারি?” স্বামী বলল, “হ্যা, বুঝতে পারছি। ”স্ত্রীর কন্ঠ-স্বর আরো গাঢ় হয়ে গেল, সে আগের চেয়ে আরও শান্তভাবে বলল: "কি?"
এক ভদ্র লোক লোক তার স্ত্রী ইংরেজী শিখতে বলেছে। স্ত্রীও ইংরেজি শিখার জন্য চেষ্টা করতেছে। একদিন দুপুরে সে তার স্বামীকে খাবার থেতে দিয়ে বলল এই নাও তোমার ডিনার। স্বামী: তুমি একটা গর্ধব। এখন দুপুর.. আর এটাকে ডিনার বলেনা লাঞ্চ বলে। স্ত্রী: তুমি গাধা, আর তোমার চৌদ্দ গুষ্টি গাধা। এগুলো তোমেক গতকাল রাতের বাসি খাবার দিয়েছি। ...এইবার বুঝলে।
সেদিন তোমাকে থ্যাবড়া মুখী, মোটা হাতির মতো একজন মহিলার সাথে যেতে দেখলাম, মহিলাটি কে ? তুমি যদি আমার স্ত্রীকে ব্যাপারটা না বল তাহলে বলতে পারি.. বেশ বলব না। গত বছর ঐ মহিলাকে আমি বিয়ে করেছি।
কীরে এত মন মরা হয়ে বসে আছিস কেন? আর বলিস না, বউ বলেছে মদ খাওয়া না ছাড়লে এক মাস আমার সঙ্গে কথা বলবে না বাঃ, এ তো বেশ ভাল কথা । এই মাস টা যত খুশি মদ খেতে পারবি। আজই সে এক মাস শেষ হচ্ছে।
বাসর-রাতে স্বামী তার বউয়ের চোখে ও মুখে বারবার চুমু দিচ্ছে.. বউ জিজ্ঞাসা করলো, “বার বার তুমি তোমার চোখে চুমু খাচ্ছো কেন?” স্বামী, “আমার কাছে তোমার চোখ হলো ভালোবাসার বই-এর মতো, আমার শুধু পড়তে ইচ্ছে করে” স্ত্রী , “.....এদিকে নিচের লাইব্রেরীতে আগুন জ্বলছে। আর তুমি কি না বই নিয়ে ব্যাস্ত”
একবার একলোক তার বউকে একটা মেসেজ পাঠাল। কিন্তু ভুল করে মেসেজ টি চলে গেলো এক বিধবা মহিলার কাছে। সেই বিধবা মহিলাটির স্বামী মাত্রই গতকাল মারা গিয়েছেন।। যাই হোক, মহিলা মেসেজটি খুললেন, পড়লেন, এবং সাথে সাথে অজ্ঞান হয়ে মাটিতে পড়ে গেলেন!! কি লেখা ছিল সেই মেসেজে?? মেসেজে লেখা ছিল- আমার প্রিয় বউ!! আমি ঠিকঠাক মতই পৌঁছেছি!! আমি জানি তুমি আমার কাছ থেকে মেসেজ আশা করনি!! এখানে আজকাল মোবাইল ফোন এসে পড়েছে!! আমি আসার সঙ্গে সঙ্গে তারা আমাকে একটি মোবাইল গিফট করেছে!! সেই মোবাইল থেকেই আমি তোমাকে মেসেজ পাঠালাম!! জেনে তুমি আরো খুশি হবে যে, তারা সবাই এখানে তোমার জন্য অপেক্ষা করছে!! আশা করা যায়, কাল-পরশুর মধ্যেই তুমিও চলে আসবে!! আমি আশা করি আপনার ভ্রমণ আমার মতই সুখের হবে!! তোমার অপেক্ষায় রইলাম!! – ইতি, তোমার প্রিয় স্বামী!!
দুই বন্ধু রাস্তা তে হাটতে হাটতে গল্প করছিলো… উলটো পাশ থেকে ২ টা মেয়ে আসছিলো… হটাৎ প্রথম বন্ধুঃ ”এই রে! সর্বনাশ করেছে… আমার বউ আর প্রেমিকা একসঙ্গে আসছে…” দ্বিতীয় বন্ধুঃ ”হে আল্লাহ… আমারো…”
রাতে ভোলাবাবু বেঘোরে ঘুমোচ্ছেন এমন সময় স্ত্রীর ভীষণ ডাকাডাকিতে ধড়মড়িয়ে উঠলেন। বললেনঃ কি হয়েছে? বেশ তো ঘুমোচ্ছিলাম, আবার ডাকাডাকি করলে কেন? স্ত্রীঃ কেন আবার তোমাকে যে ঘুমের ওষুধ দেওয়া হয়নি।
স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে তুমুল ঝগড়া হচ্ছে। কাটাকাটির এক পর্যায়ে স্বামী তার স্ত্রীর গালে একটা চড় মারলেন। স্ত্রী: কী! তুমি আমার গায়ে হাত তুললে? স্বামী বেচারা ভেবে দেখলেন, আসলে কাজটা অন্যায় হয়ে গেছে। তাই একটু নরম সুরে তিনি বললেন, আরে না না, আমি তোমাকে ভালোবেসে চড়টা মেরেছি। স্ত্রী তখন তার স্বামীরও দুই গালে কষে দুইটা চড় মারেন। স্বামী: (থ হয়ে) তুমিও আমাকে চড় মারলে…? স্ত্রী: কি ভেবেছ তুমি? আমি কি তোমাকে কম ভালোবাসি?
প্রবাসী স্বামী তার স্ত্রীকে লেখা চিঠিতে লিখেছে- প্রিয় সুইট হার্ট, আমি আপনাকে এ মাসের মাইনের টাকা পাঠাতে পারছিনা, তাই তোমাকে ১০০ Kiss পাঠালাম। ইতি তোমার স্বামী (অমুক) তারপর তার বউ কয়েক দিন সে চিঠির উত্বর দিল এই ভাবে.. প্রিয় সুইট হার্ট, তোমার পাঠানো Kiss গুলোর বিস্তারিত জানাচ্ছি। ১/ দুধ ওয়ালা ২টা Kiss বিনিময়ে এক মাসের জন্য দুধ দিতে রাজি হয়েছে। ২/ ইলেকট্রিক বিল ওয়ালা ৭ টা Kiss এর বিনিময়ে শান্ত হয়েছে। ৩/ বাড়ি এয়ালাকে প্রতিদিন দুইটা কিংবা তিনটা Kiss দিতে হচ্ছে। ৪/ সুপারমার্কেটের মালিক শুধু ১ টি Kiss তেই রাজি নয়, তাই ……… (সেন্সর) ৫/ অন্যান্য খাতে ব্যায় হয়েছে আরো ৪০ টি Kiss। আমার জন্য কোন চিন্তা করোনা। বাকি রয়েছে ৩৫ টি Kiss। আমি আশা করছি সেগুলোও এই মাসেই ব্যাবহার করতে পারবো।
প্রথম জন: বাড়িতে আর শান্তি নেই। গিন্নি খালি রোজ রোজ টাকা চায়। দ্বিতীয় জন: কত টাকা ? প্রথম জন: কোনো ঠিক আছে ? ১০০, ২০০, ৫০০, যখন যা ইচ্ছে। দ্বিতীয় জন: বাপ্ রে !! এত টাকা নিয়ে কি করে ? প্রথম জন: জানি না কি করে । দিই নি তো কখনো।
স্ত্রী: এতো করে বললাম তবুও পেঁয়াজ আনলে না! দাম বেশি বলে পেঁয়াজ আনবে না? স্বামী: না, ঠিক তা নয়। স্ত্রী: তাহলে? স্বামী: তুমি পেঁয়াজ কাটতে বসে প্রতিদিন চোখের জল ফেলবে, এটা আমি সহ্য করতে পারি না।
স্বামী আর স্ত্রীর মধ্যে প্রচন্ড ঝগড়া। মুখ দেখা, কথা বন্ধ। সেই রাতে ঘুমাতে যাওয়ার সময় স্বামীর মনে পড়ে গেলো পরের দিন ভোরবেলা তার প্রথম ফ্লাইট । এদিকে স্বামী বেচারা সকালে উঠতে পারে না। সাত-পাঁচ ভেবে সে একটি কাগজে লিখল ” কাল সকাল চারটার সময় ডেকে দিও।” কাগজ টা স্ত্রীর বালিশের নিচে চাপা দিয়ে স্বামী নিশ্চিন্তে ঘুমিয়ে পড়ল। পরের দিন সকালে সাড়ে সাত টার সময় ঘুম থেকে উঠলেন। সময় টা দেখে তার চক্ষু চড়কগাছ হলো। রেগেমেগে চিৎকার করে স্ত্রীকে ডাকতে গিয়ে তার নজরে পড়ল বালিশের পাশে একটা চিরকুট। চিরকুট খুলে দেখল লেখা আছে ” 4 টা বেজে গেছে, দয়া করে ঘুম থেকে উঠে পড়ো।”
স্ত্রী: আমার সাথে 10 বছর কাটানোর বিষয়ে আপনি কী মনে করেন? স্বামী: আরে, সে ১ সেকেন্ড মনে হয়, চোখের পলকে কেটে গিয়েছে… স্ত্রী: (খুশি হয়ে) আমার জন্য ১০,০০০/- টাকা তোমার জন্য কি? স্বামী: আরে সেত ১ টাকার মত। কোন ব্যাপারই না। স্ত্রী: (ততধিক খুশি হয়ে) তাহলে তুমি কি এখন আমাকে ১০,০০০/- টাকা দিতে পারবে? স্বামী: (গম্ভীরভাবে) দাড়াও এক সেকেন্ড পরে দেই।
একটা উপদেশ- সবসময় মানিব্যাগে আপনি আপনার স্ত্রীর ছবি রাখুন। যখনই কোনো বড়ো সমস্যার সম্মুখীন হবেন তখন মানিব্যাগ বের করে স্ত্রীর ছবিটা একবার দেখবেন, আর মনে করবেন এর থেকে বড় সমস্যা আর কিছুই হতে পারে না।
স্ত্রী: শোনো না, নীচের তলায় চোর এসেছে। সকালে যে কেকটা বানিয়েছিলাম, সেটা খেয়ে নিচ্ছে। স্বামী: কাকে ডাকব, পুলিশ না অ্যাম্বুল্যান্স?
স্ত্রীঃ কালতো আমাদের বিয়ে-বার্ষিকী! স্বামীঃ আমাকে কি করতে হবে? –কিছু না, এই গোটা পঁচিশেক মুরগির রোস্টের ব্যবস্থা করলেই হবে। –25 বৎসর আগের ভুলের জন্য আবার পঁচিশটা প্রাণী হত্যা করা ঠিক হবে কি?
এক ভদ্রলোক রাতে গাড়ি চালিয়ে ফিরছিলেন। জ্যামে গাড়িটা আটকে গেলে তখন এক ভিক্ষুক এসে হাত পাতল। : দয়া করে কিছু দিন স্যার ! : তুমি মদ খাও ? : না স্যার। : তুমি ধূমপান কর ? : না। : জুয়া খেল ? : না। : তুমি শিগগির আমার গাড়িতে উঠ। : যা দেবার এখানেই দিন, স্যার। : ...না ! তোমাকে বাড়ি নিয়ে গিয়ে আমার স্ত্রীকে দেখাতে চাই যে- মদ, জুয়া, ধূমপান এ সবের সাথে জড়িয়ে না থাকলেও মানুষের জীবনের কি ভয়াবহ অবস্থা হয়।
স্বামী: আজ মাছ রান্না হয়নি কেন? স্ত্রী: মাছটাকে মারতেই পারলাম না। স্বামী: কী ভাবে মারার চেষ্টা করছিলি? স্ত্রী: জলে ডুবিয়ে!
দুই বন্ধুর মধ্যে কথা হচ্ছে ১ম বন্ধুঃ তুমি তো একেবারে তোমার বউয়ের চাকর হয়ে গেছ দেখছি! সেদিন দেখলাম তুমি নিজের প্যান্ট টা নিজেই সেলাই করছ । ২য় বন্ধুঃ তুমি ঠিকই দেখেছ। কিন্তু ওই প্যান্ট টা আমার নয়, আমার স্ত্রীর।
এক দম্পতি ঝগড়া করছে। ঝগড়ার সময় স্ত্রী স্বামীর গালে একটা চড় মারল- স্বামীঃ চড়টা তুমি কি আমাকে সিরিয়াসলি মেরেছ, নাকি ইয়ার্কি করে ? স্ত্রীঃ সিরিয়াসলিই মেরেছি। স্বামীঃ তাহলে আজ বেঁচে গেলে। তুমি তো জানো আমি ইয়ার্কি একদম পছন্দ করি না।
দুই বন্ধুর মধ্যে কথা কাটাকাটি হচ্ছে— ১ম বন্ধুঃ আসলে, তুমি একটা ইঁদুর। ২য় বন্ধুঃ তোমার কথা মানতে পারলাম না। কারণ ইঁদুর হলে আমার স্ত্রী আমাকে দেখলেই পালিয়ে যেত। ইঁদুরকে সে খুব ভয় পায়।
পপ্রথমজনঃ ওকে বিয়ে করার জন্য শহরের অধেক লোক পাগল । দ্বিতীয়ঃ সেকি অধেক লোক পাগল ? প্রথমজনঃ হ্যাঁ, অধেক কারন ,কারন বাকি অধেকের সাথে তার এর আগেই একবার করে বিয়ে হয়ে গেছে।
স্ত্রী- ওগো আমার কিছু ভালো লাগছেনা । স্বামী- কেন? স্ত্রী- আমার অসুখ যে সারছে না স্বামী- সারবে না কেন ? ভাল হয়ে গেলেই তো সেরে যাবে
স্বামীঃ তাড়াতাড়ি আমাকে পানিটা গরম করে দাও । না হলে — স্ত্রীঃ না হলে, না হলে কী ? কী করবে ! স্বামীঃ ঠান্ডা পানিতে গোসলটা সেরে নেবো ।
শায়লা তার নতুন বিয়ে হওয়া বান্ধবীকে প্রশ্ন করল- কী রে তোর বর কেমন? : স্বামী আর পেঁচার মাঝে কোন প্রর্থক্য নেই । : কেন, এমন কথা বলছিস কেন? : কারন স্বামীরা তাদের বউদের সব ভালো জিনিস টা শুধৃ রাতের বেলাই খুঁজে পায় ।
স্বামীঃ আচ্ছা বিয়ের আগে তোমাকে কেউ চুমু খেয়েছিলো? স্ত্রীঃ একদিন একটা পিকনিকে গিয়েছিলাম | সেখানে একটা ছেলে আমাকে একা পেয়ে ছুরি বের করে বলেছিলো, যদি চুমু না খাও, তাহলে খুন করে ফেলবো। স্বামীঃ তারপর তুমি চুমু খেতে দিলে? স্ত্রীঃ ঊফ... দেখতেই তো পাচ্ছো, আমি এখনও বেঁচে আছি 
স্ত্রী: এতক্ষণ ধরে ওই কাগজটিতে কী দেখছ তুমি? স্বামী: কই, কিছু না তো! স্ত্রী: আরে.. এ যে দেখছি ডাহা মিথ্যে কথা বলছ। তুমি প্রায় এক ঘণ্টা ধরে আমাদের কাবিননামার দিকে এত তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে তাকিয়ে দেখছটা কী, শুনি? স্বামী: না, তেমন কিছু নয়। অনেকক্ষণ খোঁজাখুঁজি করেও কাবিননামার মেয়াদ শেষ হওয়ার তারিখটা বের করতে পারলাম না।
স্বামী অফিস থেকে বাড়ি ফিরে বলল, ‘শুরু করার আগে ভাতটা দাও, খেয়ে নিই।’ স্ত্রী ভাত বেড়ে দিল। ভাত খেয়ে স্বামী ড্রয়িংরুমের সোফায় বসতে বসতে বলল, ‘শুরু করার আগে এক গ্লাস পানি দাও…বড্ড তেষ্টা পেয়েছে।’ স্ত্রী পানি দিয়ে গেল। পানি খেতে খেতে স্বামী বিছানায় গিয়ে শুয়ে পড়ল। তারপর বলল, ‘শুরু করার আগে এক কাপ চা দাও না আমাকে।’ এইবার স্ত্রী গেল খেপে, ‘অ্যাই, পেয়েছ কী তুমি আমাকে, আমি তোমার চাকর? নির্লজ্জ, অসভ্য, ছোটলোক, স্বার্থপর… অফিস থেকে ফিরে একটার পর একটা খালি অর্ডার মেরেই যাচ্ছ। স্বামী কানে তুলা গুঁজতে গুঁজতে বলে, ‘এই যে… শুরু হয়ে গেল।’
প্রথম জন: আমার স্ত্রী যার সঙ্গে পালিয়ে গেছে সে আমার সবচাইতে বড় বন্ধু। দ্বিতীয় জন: তাই নাকি? লোকটা কি দেখতে খুবই সুন্দর? প্রথম জন: কী জানি! জীবনে তাকে দেখি নি তো।
শাশুড়ি: মা আজ থেকে তুমি এ বাড়িরই একজন সদস্য। আমার মেয়ে তুমি, আমাকে তুমি মা বলে ডাকবে। নতুন বউ: আচ্ছা মা। সারা দিনের কাজ শেষে জামাই বাড়ি ফিরে কলিংবেল বাজালো। শাশুড়ি: এই কে এলো, দেখোতো বউ মা ? নতুন বউ: মা! মা!! ভাইয়া এসেছে।
উকিলঃ সেকি... ম্যাডাম। আপনি তো বললেন আপনার স্বামী ৫ বছর আগে মারা গেছেন । তাহলে ৪ বছরের আর একটি ২ ছরের বাচ্চা কোথা থেকে এলো ? ভদ্রমহিলা রাগের স্বরেঃ আমি তো বেচে আছি না, কি?
স্ত্রী: তুমি যখন কাজে যাও তখন আমার ছবি ব্যাগে নিয়ে যাও কেন? স্বামীঃ আমি যখন কোন সমস্যায় পড়লে তোমার ছবিটি বের করে দেখলেই আমার সব সমস্যার সমাধান হয়ে যায়, জানো? স্ত্রী: তাই নাকি! তাহলে দেখো, তোমার জন্য আমি কতটা সৌভাগ্যের! স্বামী: হুম.., আমার যখন কোনো সমস্যা হয়, আমি তখন তোমার ছবি দেখে নিজেকে বলি যে তোমার মতো সমস্যা পৃথিবীতে থাকতে পারে না, আর সঙ্গে সঙ্গে ছোট সমস্যা গুলি আমার কাছে আর সমস্যা বলে মনে হয় না।
মৃত্যুশয্যায় শায়িত স্বামী তার স্ত্রীকে বলছেন— স্বামী: আমি তো আর কিছু দিন পর মারা যাব, তাই আমি চাই তুমি আমার মৃত্যুর পর সাজ্জাদ সাহেবকে বিয়ে করো। স্ত্রী: সাজ্জাদ সাহেব! বলো কি, সে তো তোমার সব থেকে বড়ো শত্রু। আর তুমি কিনা তাকে বিয়ে করতে বলছ ! স্বামী: আমি জানি সে আমার শত্রু। বুঝতে পারলে, সাজ্জাদকে শায়েস্তা করার এটাই বড় সুযোগ। বুঝলে...
স্বামী তাঁর স্ত্রীকে তালাক দিতে আদালতে গেছেন— স্বামী: আজই আমি আমার স্ত্রীকে তালাক দিতে চাই। আপনি একটু ব্যবস্থা করুন। আইনজীবী: কেন, সমস্যা কী আপনাদের? স্বামী: প্রায় ছয় মাস ধরে আমার স্ত্রী আমার সঙ্গে কথা বলে না। আইনজীবী: আর একবার ভলো করে ভেবে দেখুন। এমন স্ত্রী পাওয়া কিন্তু ভাগ্যের ব্যাপার।
পল্টু বাসর রাতে খুব দ্বিধায় পড়ে গেল! সে তার স্ত্রীর সাথে কী কথা বলবে? প্রায় এক ঘণ্টা ধরে সে অনেক চিন্তা-ভাবনা করল। তারপর হঠাৎ করেই তার স্ত্রীকে বলল- রিয়াজ: তুই তোর বউর সাথে ঝগড়া করিস? সাইফ: হ্যাঁ, করি! তবে প্রত্যেক বার'ই ঝগড়ার শেষে সে এসে হাঁটু গেড়ে আমার সামনে বসে পড়ে। রিয়াজ: বলিস কী! তারপর? সাইফ: তারপর মাথা ঝুঁকিয়ে বলে, ‘খাটের তলা থেকে বেরিয়ে আসো। আর মারব না।’
নববিবাহিতা দম্পতির মাঝে কথা হচ্ছে। স্ত্রী: আমি যদি বলি আমার উপরের পাটির দাঁতগুলো সব বাঁধানো, তাহলে তুমি কি রাগ করবে? স্বামী: কখনোই না, আমি তবে নিশ্চিন্তে আমার পটচুল আর কাঠের পা-টা খুলে রাখতে পারব।

Post a Comment

0 Comments
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.