এক মেয়ে নিজের বয়ফ্রেন্ডের সাথে ঘুরছিল, তো এমন সময় হঠাৎ মেয়েটির স্বামী এসে গেল এবং প্রেমিককে মারধর শুরু করল। মেয়েঃ খুব মারও শালাকে, নিজের স্ত্রী কে তো কোথাও ঘুরতে নিয়ে যায় না, আর বন্ধুর স্ত্রীকে নিয়ে ঘুরতে বের হয়। (হঠাৎ করেই বয়ফ্রেন্ডের জোশ উঠে গেল এবং ওই মেয়ের স্বামীকে মারতে শুরু করল)
মেয়েঃ মারো শালাকে, না নিজে ঘুরাতে নিয়ে যায় আর না অন্যের সাথে ঘুরতে দেয়।
১ম বান্ধবী- তোমার স্বামী কেমন আছেন? ২য়- ও তার মতো ভাগ্যবান আর কেউ হয়না । কাল সে একটা ইন্সুরেন্স করেছিলো আর আজই সে রাস্তায় গাড়ী চাপা পড়ল।
প্রেমিকঃ বল তো,ভালবাসার ওজন কত? প্রেমিকাঃ কত? প্রেমিকঃ ৮০ কেজি। প্রেমিকাঃ কিভাবে? প্রেমিকঃ আরে, ভালবাসতে ত তো ‘দুই মন’ লাগে! প্রেমিকাঃ অহ অ !
মেয়ে : আমার মোবাইল টা বেশিরভাগ সময় আম্মুর হাতে থাকে। ছেলে : তাহলেতো বিপদ যদি ধরা পরে যাই? মেয়ে : চিন্তা করনা আমি তো নাম Low Battery নামে সেভ করে রাখছি, তুমি কল করলেই আম্মু আমার কাছে ফোন চার্জ দিতে বলে।
প্রেমিকঃ তোমার বাবার কাছে আমাদের বিয়ের প্রস্তাব রেখেছো?
প্রেমিকাঃ হ্যাঁ।
প্রেমিকঃ তোমার বাবা কি বললেন?
প্রেমিকাঃ বাবা জানতে চাইলেন, তোমার ব্যাঙ্কে কত টাকা আছে।
প্রেমিকঃ কি বললে?
প্রেমিকাঃ যা সত্যি তাই বললাম,দুলাখ।
প্রেমিকঃ তোমার বাবা কি বললেন?
প্রেমিকাঃ তিনি টাকাটা ধার চাইলেন।
প্রেমিক-প্রেমিকার মধ্যে কথোপকথন…
প্রেমিকঃ বর্তমানে দুধ আর সোনার মধ্যে হাত দেওয়া খুব মুশকিল।
প্রেমিকাঃ অ-সভ্য কোথাকার যাও এখান থাকে.., আমার সাথে আর কথা বলবে না।
প্রেমিকঃ কিভাবে হাত দেবো তুমি'ই বলো? সোনার ভরী ৫০ হাজার টাকা আর দুধের কেজি ৬০ টাকা ।
প্রেমিকাঃ ও, তাই বলো! আর আমি ভেবেছিলাম তুমি আমার…
বল্টু তার প্রেমিকা পিংকি কে নিয়ে এক-ই প্লেটে ফুসকা খাচ্ছে আর এক জনের চোখে আরেকজন দিকে তাকিয়ে আছে । রোমান্টিক অবস্থায়...
পিংকি (রোমান্টিক মুডে) : ওমন করেকি দেখছ?
বল্টুঃ আমাকেও এক- দুইটা ফুসকা খেতে দাও,
মটকী কোথাকার! সব ফুসকাএকা একাই গাল ভরে খাচ্ছে।
একটি BMW গাড়ি নিয়ে একটি ছেলে একটি মেয়েকে ডেট করছে।
ছেলেঃ সুইটহার্ট, আমি তোমার কাছে একটা কথা চেপে রেখেছিলাম ।
মেয়েঃ কি….?
ছেলেঃ আমি বিবাহিত ।
মেয়েঃ ওহ! তুমি তো একেবারে আমাকে ভয় পাইয়ে দিয়েছিলে । আমি ভেবেছিলাম তুমি বলবে এই BMW গাড়িটা তোমার নয় ।
ছেলেঃ আচ্ছা বোলো তো.., কাল যিনি আমার ফোন রিসিভ করে ছিলেন, উনি কি তোমার স্বামী?
মেয়েঃ ছি ! আপনি এটা বলতে পারলেন ! আপনার মুখে বাঁধলো না?
ছেলেঃ সরি বাবা সরি, আমার ভুল হয়ে গিয়েছে। প্লিজ.. কিছু মনে করো না !
মেয়েঃ ইটস ওকে।
ছেলেঃ আচ্ছা উনি তাহলে কে ছিলেন ?
মেয়েঃ আমার ছেলে, ক্লাস টেনে পড়ে !!
দুই জন প্রেমিক প্রেমিকা ঠিক করলো যে তারা আত্মহত্যা করবে। প্রথমে ছেলেটি উঁচু পাহাড় থেকে ঝাঁপ দিল, কিন্তু মেয়েটি দিল না। সে চোখ বন্ধ করে বলল: ভালোবাসা অন্ধ।
তাই সে চোখ খুলে পাহাড়ের উপর আস্তে করে চোখ বুঝে শুয়ে পড়ে রইল।
!
!
!
-এদিকে ঝাঁপ দেওয়ার পর ছেলেটি প্যারাসুট খুলে বলল, প্রকৃত ভালোবাসা কখনো মরে না!
৩ ছেলে এক মেয়েকে প্রপোজ করল-
ছেলে ১: আমি তোমার জন্য মরতে পারি।
মেয়ে: এটা সবাই-ই বলে।
ছেলে ২: তোমাকে আমি আকাশের তারা এনে দেব.
মেয়ে: পুরাতন ডায়লগ ।
ছেলে ৩: আমি তোমাকে আমার Facebook এর Password টা দেব!!!
মেয়ে (অশ্রু মিশ্রিত কণ্ঠে): হায় রে পাগল!!!!!
এত ভালবাস তুমি আমাকে!!!!!!
আই লাভ ইউ <3 :* <3
জান…
গভীর রাত!
একটা জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে বাসুদা আর বাসুদার গালফ্রেন্ড যাচ্ছে |
হঠাৎ বাসুদা আকাশের দিকে তাকিয়ে গালফ্রেন্ডকে বললো, ঐ তারা টা কে জানো ?
গালফ্রেন্ড- কে ?
বসুদা – ঐটা হইলা তুমি |
এই শুনে গালফ্রেন্ড বাসুদার গালে একটা কষিয়ে চর দিলো |
বাসুদা- তুমি আমারে মারলে ?
গালফ্রেন্ড- অত উঁচু থেকে পড়ে গেলে মরে যাবোনা !
বল্টু এক ঋষির কাছে গিয়ে জিগ্যেস করল-
বল্টু: আচ্ছা ঋষি বাবা, যদি বিয়ের আগে প্রেমিক প্রেমিকা রাতে এক বিছানায় ঘুমায় তাহলে কি পাপ হবে?
ঋষি: শুধু ঘুমালে তো পাপ হয় না বৎস.., কিন্তু সমস্যা হল তোরাতো ঘুমাস না!
গার্লফ্রেন্ড: জান একটা গান শুনাব শুনবে ?
বয়ফ্রেন্ড: হ্যা শুনাও ,
গার্লফ্রেন্ড: আমার এক পায়ে নুপুর আমার.. অন্য পা খালি . . .
বয়ফ্রেন্ড: হা হা হা ,
গার্লফ্রেন্ড: হাসলে কেন ?
বয়ফ্রেন্ড: তুমি যতই চালাকি কর না কেন, আমি কিন্তু আর নুপুর কিনে দিতে পারব না ।
ছেলে: তোকে আমি স্পর্শ না করেই কিস করবো!
মেয়ে: তুই এটা কখনো করতে পারবি না!
ছেলে: তাইলে বাজি ১০ টাকা!?
মেয়ে: ঠিক আছে! ছেলেটি মেয়েটিকে জড়িয়ে ধরে কিস করলো!!
এরপর মেয়েটি রেগে গিয়ে বলল, “তুই আমাকে স্পর্শ করলি কেন? তখন ছেলেটি উত্তর দিল মাথা ঠান্ডা কর, এই নে ১০ টাকা !
ছেঁকাবাবা মমিনঃ তার কলেজের এক মেয়েকে বলল , I love u.
এখন তুমি আমাকে বল,
মেয়েঃ- আমি এখন স্যারকে গিয়া বলব।
ছেঁকাবাবা মমিনঃ- ওরে, স্যারকে বইলো না ওনার বিয়ে হয়ে গেছে।
খোকন: জানেন স্যর, আমার ঠাকুমাকে গতকাল আপনার কথা বলছিলাম।
স্যার: তাই নাকি ? তা তোমার ঠাকুমা কী বললেন ?
খোকন: ঠাকুমা খুব আফসোস করলেন। বললেন, ‘আহা, আমার যদি এমন একজন শিক্ষক থাকত..’
স্যার: বাহ্! এ বয়সেও তোমার ঠাকুমার পড়ালেখায় এত আগ্রহ !
খোকন: না স্যর, তা না। ঠাকুমার অনেক দিন ভালো ঘুম হয় না কি না…
প্রেমিকঃ তুমি আমাকে খুব ভালোবাস, তাই না।
প্রেমিকঃ হ্যাঁ। সত্যি ভালোবাসি!
প্রেমিকাঃ সত্যি?
প্রেমিকঃ সত্যি!
প্রেমিকাঃ সত্যি?
প্রেমিকঃ (রাগান্বিত হয়ে) সত্যি নয় তো কী? যদি বিশ্বাস না হয় তাহলে... মলি, পলি, জুলিকে জিজ্ঞেস করে দেখো। ওদেরকেও আমি একই কথা বলেছি।
প্রেমিকাঃ যদি তোমার সঙ্গে আমার বিয়ে হয়। তবে তোমার খাবারে আমি বিষ মিশিয়ে দেব।
প্রেমিকঃ আর সত্যিই যদি তোমার সঙ্গে আমার বিয়ে হয় আমি এই বিষ মেশানো খাবার নিশ্চিন্তমনে খেয়ে নেব!
বাড়ি থেকে পালাচ্ছে এক তরুণী। গেটের কাছে অপেক্ষা করছে তার প্রেমিক। উভয়ের মধ্যে কথা হচ্ছে-
প্রেমিক: তোমার বাবা টের পাননি তো?
প্রেমিকা: উনি বাসায় নেই।
প্রেমিক: বল কী? এত রাতে বাসার বাইরে?
প্রেমিকা: আমাদের জন্য ট্যাক্সি ডাকতে গেছেন।
মেয়েঃ লান্ঞ্চ করেছো সোনা?
ছেলেঃ লান্ঞ্চ করেছো সোনা?
মেয়েঃ ওই,
আমি আগে তোমাকে জিজ্ঞেস করেছি!!
ছেলেঃ ওই,
আমি আগে তোমাকে জিজ্ঞেস করেছি!!
মেয়েঃ ধুর ছাতা মাথা!
তুমি কি আমাকে কপি করতেছো?
ছেলেঃ ধুর ছাতা মাথা!
তুমি কি আমাকে কপি করতেছো?
মেয়েঃ ok…চলো শপিং করতে যাই।
ছেলেঃ আমি লান্ঞ্চ করেছি!!
মেয়েঃ লান্ঞ্চ করেছো সোনা?
ছেলেঃ লান্ঞ্চ করেছো সোনা?
মেয়েঃ ওই,
আমি আগে তোমাকে জিজ্ঞেস করেছি!!
ছেলেঃ ওই,
আমি আগে তোমাকে জিজ্ঞেস করেছি!!
মেয়েঃ ধুর ছাতা মাথা!
তুমি কি আমাকে কপি করতেছো?
ছেলেঃ ধুর ছাতা মাথা!
তুমি কি আমাকে কপি করতেছো?
মেয়েঃ ok…চলো শপিং করতে যাই।
ছেলেঃ আমি লান্ঞ্চ করেছি!!
প্রেমিকাঃ তোমার জন্য আমি সব কিছু ছাড়তে রাজি ।
প্রেমিকঃ সত্যি?
প্রেমিকাঃ হ্যাঁ।
প্রেমিকঃ তোমার বাবা-মাকেও?
প্রেমিকাঃ হ্যাঁ।
প্রেমিকঃ তোমার সমস্ত আত্মীয়-স্বজন, বিষয়-সম্পত্তি?
প্রেমিকাঃ হ্যাঁ।
প্রেমিকঃ স্টার প্লাস?
প্রেমিকাঃ মুখ সামলে কথা বল!!!
পাত্র হিসাবে ছেলেটি সাক্ষাতকার দিতে মেয়ের বাবার কাছে গিয়েছে।
মেয়ের বাবা: সিগারেট খাও?
ছেলে: হ্যাঁ।
মেয়ের বাবা: মদ খাও?
ছেলে: হ্যাঁ।
মেয়ের বাবা: বার, নাইট ক্লাবে যাওয়ার অভ্যেস আছে?
ছেলে: হ্যাঁ।
মেয়ের বাবা: সবই তো দেখছি negative. positive কিছু নাই??
ছেলে: হ্যাঁ। তাও আছে ।
মেয়ের বাবা: কি সেটা?
ছেলে: আজ্ঞে HIV মানে HIV Positive.
এক তরুণী বাড়ি থেকে পালাচ্ছে, গেটের কাছে তার প্রেমিক অপেক্ষা করছে।
উভয়ের মধ্যে কথা হচ্ছে-
প্রেমিক: তোমার বাবা টের পাননি তো?
প্রেমিকা: উনি বাসায় নেই।
প্রেমিক: বল কী? এত রাতে বাসার বাইরে?
প্রেমিকা: আমাদের জন্য ট্যাক্সি ডাকতে গেছেন।
মেয়ে: তুমি আমাকে ভালবাস ।
ছেলে: অনেক ভালবাসি ।
মেয়ে: তুমি আমার জন্য কি করতে পার?
ছেলে: তুমার জন্য আমি সব কিছু করতে পারি ।
মেয়ে: তাহলে আমাকে আকাশের ওই চাঁদ টা এনে দাও ।
ছেলে: হারামজাদি , ঈদ কি তাহলে তোর বাপের মুখ দেখে করবো ?
মেয়ে : সিগারেট খাওয়া ছেড়ে দাও.
ছেলে : ছেড়ে দিলাম.
মেয়ে : বীয়ার খাওয়া ছেড়ে দাও.
ছেলে : ছেড়ে দিলাম.
মেয়েঃ কথা দাও কখনো মিথ্যা বলবো না।
ছেলে : কথা দিলাম.
মেয়ে : প্রমিজ কর এখন থেকে নিয়মিত নামাজ পরবে.
ছেলে : ঠিক আছে. প্রমিজ করলাম.
মেয়ে : বল আমায় বিয়ে করবে??
ছেলে : না
মেয়ে : কেন???
ছেলেঃ যেহেতু আমি এখন অনেক ভালো গিয়েছি তাই তোমার থেকে আমি অনেক ভাল মেয়ে পেয়ে যাবো !
তাইলে তোমাকে বিয়ে করব কেন??
রমন আর নাসির দুই বন্ধুতে কথা হচ্ছে।
রমন: বুঝলি নাসির, আমি সুলেখাকে খুব ভালোবাসতাম, কিন্তু এখন আর ভালোবাসিনা।
নাসির: কেন? রণন: মেয়েটা কানে কম শোনে।
নাসির: কী করে বুঝলি?
রমন: আমি ওকে বললাম, আমি তোমাকে ভালোবাসি। আর ও বলল, আমার পায়ের স্যান্ডেলটা নতুন!
মেয়েঃ আমার এক এক নি:শ্বাস-এর জন্য এক একটা ছেলে মরতে পারে ।
ছেলেঃ তাহলে একটা ভালো টুথপেস্ট দিয়ে দাঁত ব্রাশ করতে পারো তো !
প্রেমিকাঃ তোমরা সব ছেলেরা একটাও কাজ ভালো করে করতে পার না। বোতাম সেলাই করার জন্যও তোমাদের একটা মেয়ের প্রয়োজন হয়।
প্রেমিকঃ আরে, যদি মেয়েরা না থাকতো তাহলে বোতামের দরকারই হতো না।
এক মেয়ে স্বর্গে চলে গেছে..
তো যেয়েই বলছে: আজ হয়তো আমি পৃথিবীতে নেই কিন্তু আমার হৃদয়টা এখনো বেঁচে আছে.. এবং এই হৃদয়টা শুধুমাত্র আমার বয়ফ্রেন্ডের জন্য!
ঈশ্বর একথা শুনে সঙ্গে সঙ্গে তাকে জাহান্নামে পাঠিয়ে দিলেন!
কেন বলুন তো??
Over Acting এর জন্য।
মেয়ে: তুমি আমাকে ভালবাস ।
ছেলে: অনেক ভালবাসি ।
মেয়ে: তুমি আমার জন্য কি করতে পার?
ছেলে: তুমার জন্য আমি সব কিছু করতে পারি ।
মেয়ে: তাহলে আমাকে আকাশের ওই চাঁদ টা এনে দাও ।
ছেলে: হারামজাদি , ঈদ কি তাহলে তোর বাপের মুখ দেখে করবো ?
স্ত্রী: আচ্ছা, অফিসে যাওয়ার সময় ব্যাগে সবসময় আমার ছবি রাখো কেন?
স্বামীঃ আমি যদি অফিসে কোন সমস্যায় পড়ি তখন তোমার ছবিটি বের করে দেখলেই আমার সমস্যার সমাধান হয়ে যায়, বুঝলে?
স্ত্রী: তাই নাকি! তাহলে দেখো, তোমার জন্য আমি কতটা সৌভাগ্যের!
স্বামী: হুম, আমার যখন কোনো সমস্যা হয়, আমি তোমার ছবি দেখে নিজেকে বলি তোমার চেয়ে বড় সমস্যা পৃথিবীতে আর নেই। আর সঙ্গে সঙ্গে তোমার ছোট সমস্যা গুলো আর সমস্যা বলে মনে হয় না।
সাইফ: তুই তোর বউর সাথে ঝগড়া করিস?
রিয়াদ: হ্যাঁ, করি। তবে প্রতি বার ঝগড়ার পর সে এসে হাঁটু গেড়ে আমার সামনে বসে পড়ে।
সাইফ: বলিস কী! তারপর?
রিয়াদ: তারপর মাথা নিচু করে বলে, ‘খাটের তলা থেকে বেরিয়ে আসো তোমাকে আর মারবো না।’
স্ত্রীঃ একটা কথা বলব রাগ করবা না তো?
স্বামীঃ না, বলো
স্ত্রীঃ আমি প্রেগনেন্ট
স্বামীঃ এতো সুখবর! রাগের কি আছে...
স্ত্রীঃ আমার বাবাকে বিয়ের আগে একবার বলেছিলাম বাবা আমাকে প্রচন্ড রাগ করেছিলো তো তাই।
.png)
.jpeg)