Type Here to Get Search Results !

সাত সকালেই পেটফাটা হাসি চান? তাহলে তো পড়তেই হবে দিনের সেরা ৫ জোকস ।


বাবা: খোকা, পরীক্ষা কেমন দিলি? ছেলে: শুধু একটা উত্তর ভুল হয়েছে বাবা। বাবা: বাহ্! বাকিগুলো সঠিক হয়েছে তাহলে? ছেলে: না, বাকি গুলোতো লিখতেই পারিনি।
কর্মী বসকে বলছে, কদিনের ছুটি দরকার! বসের উত্তর একটি শর্তে ছুটি দেওয়া যাবে। আমাকে একটি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে... 'কাটাপ্পা বাহুবলীকে কেন মেরেছে'? কর্মী তখন উত্তর দেয় স্যার বাহুবলী হয়তো কাটাপ্পাকে ছুটি দেয়নি! সঙ্গে সঙ্গে বসের প্রশ্ন কতদিনের ছুটি লাগবে!
চান্দু গেলো ”কে হতে চায় কোটিপতি” অনুষ্ঠানে ! ১০০০ টাকার জন্য চান্দুকে প্রশ্ন করা হলঃ আপনার বাবার নাম কি ? অপশনগুলো হচ্ছে, A. Amir Khan. B. Shah Rukh Khan. C. মখলেস মিয়াঁ< D. Sachin Tendulkar. চান্দু অনেকক্ষণ ভাবার পর বললঃ আমি ৫০-৫০ লাইফ লাইন নিতে চাই । দুটো অপশন মুছে গেলো, রইলঃ C. মখলেস মিয়াঁ D. Sachin Tendulkar. চান্দু তবুও নিশ্চিত নয়। বলল, আমি দর্শকদের সাহায্য নিতে চাই । দর্শক ভোটিং এর রেসাল্ C. মখলেস মিয়াঁ (৮০% ) D. Sachin Tendulkar. (২০% ) চান্দু, এবারো নিশ্চিত নয় । বলল, আমি আমার শেষ অপশন ফোন ফ্রেন্ড ব্যাবহার করতে চাই । উপস্থাপকঃ আপনি কাকে ফোন করতে চান ? চান্দুঃ আমার বাবা , জনাব মখলেস মিয়াঁকে ! উপস্থাপক অজ্ঞান ! লেও ঠ্যালা ! হা..হা…হা….হা…..
বাবা: আচ্ছা স্যার, বলুন তো বড় হয়ে আমার ছেলে কী হবে? স্যার: মহাকাশচারী হবে। বাবা: কীভাবে বুঝলেন? স্যার: আমি যখন তাকে ক্লাসে দেখি তখন সে মনে হয় চাঁদের দেশে হাঁটছে। আর যখন প্রশ্ন করি তখন সে আকাশ থেকে পড়ে।
বাবা: জানিস মা .., তোর পড়াশোনার পেছনে আমার কত খরচ হয়? মেয়ে: হ্যাঁ বাবা। আর জানি বলেই তো কম কম লেখাপড়া করে তোমার খরচ কমানোর চেষ্টা করি।
হাবলু: বাবা, এক ভদ্রলোক এসেছেন। তিনি সুইমিংপুল বানাবেন। চাঁদা চাইছেন। বাবা: ওকে এক মগ পানি দিয়ে বিদায় করে দে।
ছেলে: বাবা তুমি অন্ধকারে লিখতে পারো? বাবা: পারি। কী লিখতে হবে? ছেলে: তেমন কিছু না বাবা। শুধু আমার রিপোর্ট কার্ডে স্বাক্ষর দিলেই হবে।
মেয়ে: বাবা ১০টা টাকা দাও। বাবা: কেন? মেয়ে: এক অসহায় বৃদ্ধকে সাহায্য করব। বাবা: খুব ভালো কথা। এই নে ১০ টাকা। তা বৃদ্ধ লোকটি কোথায়? মেয়ে: ওই যে.. বৃদ্ধ লোকটা রাস্তার ধারে আইসক্রিম বিক্রি করছে।
খাবার টেবিলে বসে... মেয়ে: বাবা, তেলাপোকা খেতে কেমন? বাবা: খাওয়ার সময় বাজে কথা বলতে হয় না। চুপচাপ খাওয়া শেষ করো। পরে তোমার কথা শুনব। খাওয়া শেষ হওয়ার পর... বাবা: হুম, কী যেন বলছিলে? মেয়ে: বলছিলাম, ডালে একটা তেলাপোকা ছিল। কিন্তু তুমি তো সেটাকে ভাতের সঙ্গে খেয়ে নিয়েছ।
দুই বন্ধুতে কথা হচ্ছে। প্রথম বন্ধু: বল তো, কখন দুই যোগ দুই এগারো হয় ? দ্বিতীয় বন্ধু: যখন ক্যালকুলেটরে ব্যাটারি ডাউন থাকে।
—দীর্ঘসূত্রতা কী, ব্যাখ্যা করুন। —উত্তরটা কাল দিই?
হাবলু আর বাবলু, দুই ভাই একটা আমগাছে ঢিল ছুড়ছিল। হাবলু: ভাই, এত ক্ষণ ধরে ঢিল ছুড়ছি, তবু আমটা পড়ছে না। আমার মনে হয়, আমটা এখনও কাঁচা। বাবলু: হুম, বৃথা কষ্ট করে কী লাভ? তুই এক কাজ কর তো, গাছ বেয়ে ওপরে উঠে যা। হাবলু অনেক কষ্ট করে হাচড়ে-পাচড়ে গাছের ওপর চড়ে বসল। হাত বাড়িয়ে আমটা টিপেটুপে পরীক্ষা করে চিৎকার করে বাবলুকে জানাল, ‘ভাই, আমটা পাকা!’ বাবলু: গুড! জলদি নীচে নেমে আয়। দুই ভাই মিলে ঢিল ছুড়লে আমটা পাড়তে খুব বেশি দেরি হবে না!
গণক: আপনি কমসে-কম আশি বছর বাঁচবেন। ব্যক্তি: যদি না বাঁচি? গণক: তা হলে এসে আমার দুই গালে দুটো চড় মারবেন।
দুই গরুর মধ্যে কথা হচ্ছে। ১ম গরু: জানিস, সেদিন ঘাস খেতে খেতে ভুল করে একটা সিনেমার টিকিট খেয়ে ফেলেছিলাম। একটু পর দেখি চোখ দিয়ে জল পড়ছে। ২য় গরু: কেন? ১ম গরু: সিনেমাটা বোধহয় খুব দুঃখের ছিল!
উকিল: তাহলে বলুন, দুর্ঘটনাটা কোথায় হয়েছিল? সাক্ষী: ৪৯৯ মাইলফলকের কাছে। উকিল: ৪৯৯ মাইলফলকটা কোথায়? সাক্ষী: সম্ভবত ৪৯৮ আর ৫০০ মাইলফলকের মাঝামাঝি।
একদিন এক ভিক্ষুক রাস্তায় দাঁড়িয়ে ভিক্ষা করছিল। এই দেখে এক লোকের খুব দয়া হল। সে ভিক্ষুকের কাছে গিয়ে বলল: তুমি যদি ভিক্ষাবৃত্তি ছেড়ে দাও, তাহলে তোমাকে আমি মাসে ১০০০ টাকা করে দেব। তখন ভিক্ষুক লোকটিকে বলল: তুমি যদি আমার সঙ্গে ভিক্ষা করো তাহলে আমি প্রতি মাসে তোমাকে ৫০০০ টাকা দেব।
ইউরোপের এক দেশের সেনাবাহিনীতে এক নতুন সৈনিক যোগ দিয়েছে। ব্যারাকে লাঞ্চ খেতে গিয়ে সে দেখল, খাবারে মাটি আর বালি কিচমিচ করছে। সে ব্যাপারটা ক্যাপ্টেনকে জানাল। ক্যাপ্টেন ছিলেন কড়া ধাঁচের লোক, সৈন্যদের আরাম-আয়েশের ঘোর বিরোধী। হুঙ্কার ছেড়ে ক্যাপ্টেন ‘যুবক, বললেন.., তুমি কি তোমার দেশের সেবা করার জন্য সেনাবাহিনীতে ভর্তি হয়েছ, না আরাম-আয়েশে গা ভাসিয়ে দেওয়ার জন্য?’ তরুন সৈনিক তৎক্ষণাৎ উত্তর দিল, ‘স্যার, আমি দেশের সেবা করার জন্যই সেনাবাহিনীতে ভর্তি হয়েছি, দেশটাকে চিবিয়ে খাবার জন্য নয়।’
ডাক্তার: রোগী কে বললেন আপনার জন্য ২ টা খবর আছে। একটা ভালো, একটা খারাপ। কোনটা আগে শুনতে চান? রোগী: খারাপটাই আগে শোনান। ডাক্তার: খারাপ খবরটা হল — আপনার দুটো পা-ই কেটে বাদ দিতে হবে। রোগী: ...অ্যাঁ, কী বলছেন ! এর পরেও আর কোন ভালো খবর থাকতে পারে? ডাক্তার: ভালো খবরটা হল — পাশের বেডের ভদ্রলোক আপনার জুতো গুলো কিনে নেবেন বলেছেন।
ঝন্টু আর পল্টু—দুই বন্ধুতে কথা হচ্ছে। ঝন্টু: বুঝলি পল্টু, পরীক্ষা এলেই আমি বুঝতে পারি, দিন আর রাতের মধ্যে কত পার্থক্য! পল্টু: কীভাবে? ঝন্টু: সকালে ঘুম থেকে উঠে ভাবি, যে করেই হোক ৮০ শতাংশ নম্বর পেতেই হবে। আর রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে ভাবি, ও ঠাকুর, কোনও মতে পাস করলেই হয়!
শতবর্ষীয় এক বৃদ্ধার জন্মদিনের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত হয়েছেন এক সাংবাদিক। তিনি বৃদ্ধাকে প্রশ্ন করলেন.. সাংবাদিক: ‘আপনার এই দীর্ঘায়ুর পিছনে গোপন রহস্য কী?’ বৃদ্ধা: খুক খুক করে কাশলেন। তারপর বললেন, ‘এখনই সঠিক বলতে পারছি না। একটা ওষুধ কোম্পানি, একটা অরেঞ্জ জুসের কোম্পানি আর একটা শক্তিবর্ধক বিস্কুট কোম্পানির সঙ্গে দরদাম চলছে। দু’দিন পরে আসুন। যে সবচেয়ে বেশি দাম হাঁকাবে, তার নাম বলব!’
বস-কর্মচারীর মধ্যে কথা হচ্ছে - কর্মচারী: বস.., এবার আমার বেতনটা একটু বাড়িয়ে দিলে ভালো হত। বস: কেন? কর্মচারী: গত সপ্তাহে বিয়ে করেছি। তাই আগের বেতনে দুজনের চলাটা বেশ কষ্ট হবে, স্যার। বস: শুনুন, অফিসের বাইরের কোনও দুর্ঘটনার জন্য অফিস কোনওভাবেই দায়ী নয়। আর তার জন্য জরিমানা দিতেও অফিস রাজি নয়।
পাগল: জানিস..., আমার মন খুব খারাপ হলে মনে হয় দুনিয়াটা কিনে ফেলি। মাতাল: কিন্তু দুনিয়াটা কিনবি কী করে? পাগল: কেন? মাতাল: আমি বেচলে তবে তো। এখন বেচার কোনও ইচ্ছে নেই। তবে পয়সার টান পড়লে দেখা যাবে।
দামি হোটেলে খেয়ে এক লোক বেয়ারাকে ৫ টাকা বকশিশ দিলেন। বেয়ারা: স্যার, এই হোটেলে খেয়ে ৫ টাকা বকশিশ দেওয়া মানে আমাকে অপমান করা। ব্যক্তি: তা হলে কত দিতে হবে? বেয়ারা: আর ৫ টাকা দিলেই হবে। ব্যক্তি: সরি, আপনাকে দুই বার অপমান করার কথা ভাবতেই পারছি না!
এক ব্যক্তি মুরগি কিনতে গিয়েছেন। ব্যক্তি: দোকানদার বললেন একটা ফ্রোজেন মুরগি দিন তো। দোকানদার ফ্রোজেন মুরগি দিলেন। ব্যক্তি: দাম কত? দোকানদার: ১৫০ টাকা। ব্যক্তি: এটা তো ছোট, বড় দেখে দিন।দোকানি ভেতরে গিয়ে দেখে স্টকে আর কোনও মুরগি নেই। তখন আগেরটাই এনে বলল, ২০০ টাকা। লোকটির এবার পছন্দ হল। তিনি বললেন, এক কাজ করুন, আমি দুটো মুরগিই নেব, আগেরটাও নিয়ে আসুন।
উকিল বলছেন (আসামিকে), ‘এবারের মতো তোমাকে বেকসুর খালাস পাইয়ে দিলাম। কিন্তু এখন থেকে বদমাস ও পাজি লোকজনের কাছ থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করবে।’ আসামি: অবশ্যই স্যার। আমি অবশ্যই আপনার কাছ থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করব।
উকিল : আপনি কী করে বুঝলেন আসামির পকেটে পাওয়া রুমালটি আপনারই? বাদী : ওটার কেনার সময় ‘P’ লেখা ছিল। উকিল : হা.. হ...! আমার পকেটেও একটা ‘P’ লেখা রুমাল আছে। বাদী : ঠিক আছে। আমার তবে দুটো রুমালই চুরি গেছে।
ক্যাবলার দ্রুত গাছে ওঠা দেখে নিচ থেকে তার এক বন্ধু তাকে জিজ্ঞসা করল.., কী রে ক্যাবলা, তুই গাছের ওপর কী করিস? ক্যাবলা বলল.., ‘আপেল খেতে এসেছি।’ এ কথা শুনে বন্ধুটি হাসতে হাসতে বলল, উঠেছিস আমগাছে, আর বলছিস কিনা আপেল খাবি!’ ক্যাবলার জবাব ‘আরে বোকা এতে দাঁত বের করে হাসার কী আছে?.. আমিতো ২ টা আপেল পকেটে নিয়েই গাছে উঠেছি’—।
চাকরীর বিজ্ঞাপন দেখে বন অফিসে যোগাযোগ করতে গেল পল্টু। বন দপ্তরের কর্ম কর্তা এদিক ওদিক দেখে নিয়ে পল্টুর কানের কাছে এসে ফিসফিস করে বলল, ‘আপনার কাজটা খুবই গোপনীয়! শুনুন, আমাদের এখানকার বনের পশ-পাখির সংখ্যা দিন দিন কমে যাচ্ছে, তাই পর্যটকের সংখ্যাও কম। পর্যটকদের আকর্ষণ করতে আমরা আপনাকে একটা বাঘের পোশাক পরিয়ে দেব, সেটা পরে আপনি বনে ঘুরে বেড়াবেন। রাজি আছেন কি না, বলেন?’ সাত-পাঁচ ভেবে নিয়ে পল্টু উত্তর দিল, ‘রাজি’! অতঃপর বাঘ সেজে বনে ঘুরে বেড়ায় পল্টু। মাঝেমধ্যে দু-একটা মানুষকে ভয়ও দেখায়। ভারি মজায় দিন কাটছিল তার। কিন্তু হঠাৎ একদিন! বনে ঘুরতে ঘুরতে বাঘরূপী পল্টু পড়ল এক ভালুকের সামনে! আর যায় কোথায়! ‘মা গো, বাবা গো’ বলে তার সে কী চিৎকার! ধীরে ধীরে পল্টুর দিকে এগিয়ে এল এক বিকট দর্শন ভালুক! পল্টুর কানের কাছে এসে ভালুকটা ফিসফিস করে বলল.., ‘চুপ করো গর্দভ ! নইলে দুজনেরই চাকরি যাবে!’
আশ্চর্য ! তোর সামনে দিয়ে ডাকাতি করে সব নিয়ে চলে গেল আর তুই এ রকম শক্তসামর্থ দুটো হাত দিয়ে কিছুই করতে পারলি না ? ..কী করে করব! আমিতো দুই হাত দিয়ে বাবার দুনলা বন্দুকটা ধরেছিলাম যে..!
বাবা: খোকা, পরীক্ষা কেমন দিলি? ছেলে: শুধু একটা উত্তর ভুল হয়েছে বাবা। বাবা: বাহ্! বাকিগুলো সঠিক হয়েছে তাহলে? ছেলে: না, বাকি গুলোতো লিখতেই পারিনি।
খাবার টেবিলে বসে... মেয়ে: বাবা, তেলাপোকা খেতে কেমন?
বাবা: খাওয়ার সময় বাজে কথা বলতে হয় না। চুপচাপ খাওয়া শেষ করো। পরে তোমার কথা শুনব। খাওয়া শেষ হওয়ার পর... বাবা: হুম, কী যেন বলছিলে? মেয়ে: বলছিলাম, ডালে একটা তেলাপোকা ছিল। কিন্তু তুমি তো সেটাকে ভাতের সঙ্গে খেয়ে নিয়েছ।
কর্মী বসকে বলছে, কদিনের ছুটি দরকার! বসের উত্তর একটি শর্তে ছুটি দেওয়া যাবে। আমার একটি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। কাটাপ্পা বাহুবলীকে কেন মেরেছে? কর্মী তখন উত্তর দেয় স্যার বাহুবলী হয়তো কাটাপ্পাকে ছুটি দেয়নি! সঙ্গে সঙ্গে বসের প্রশ্ন কতদিনের ছুটি লাগবে!
বাবা: আচ্ছা মাস্টার মশাই, বলুন তো আমার ছেলে বড় হয়ে কী হবে? স্যার: মহাকাশচারী হবে। বাবা: কীভাবে বুঝলেন? স্যার: আমি যখন ক্লাসে তাকে দেখি তখন সে মনে হয় চাঁদের দেশে হাঁটছে। আর যখন প্রশ্ন করি তখন সে আকাশ থেকে পড়ে।
হাবলু: বাবা, এক ভদ্রলোক এসেছেন। তিনি সুইমিংপুল বানাবেন। চাঁদা চাইছেন। বাবা: ওকে এক মগ পানি দিয়ে বিদায় করে দে।
ছেলে: বাবা তুমি অন্ধকারে লিখতে পারো? বাবা: পারি। কী লিখতে হবে? ছেলে: তেমন কিছু না বাবা। শুধু আমার রিপোর্ট কার্ডে স্বাক্ষর দিলেই হবে।
মেয়ে: বাবা ১০টা টাকা দাও। বাবা: কেন? মেয়ে: এক অসহায় বৃদ্ধকে সাহায্য করব। বাবা: খুব ভালো কথা। এই নে ১০ টাকা। তা বৃদ্ধ লোকটি কোথায়? মেয়ে: বৃদ্ধ লোকটা রাস্তার কাছে আইসক্রিম বিক্রি করছে।
বাবা ও ছেলে: বাবা কোটে তল্লাশি চালাতে গিয়ে পেলেন সিগারেট আর মেয়েদের ফোন নম্বর! বাবা প্রশ্ন করলেন, কবে থেকে এসব চলছে। ছেলের উত্তর বাবা এই কোটটা তোমার।
বাবা খুব কিপটে। ছেলে অনেক দিন ধরে একটা চশমা চায়। কিন্তু বাবা কিছুতেই কিনে দিতে রাজি নয়। অবশেষে ছেলে একটা রাস্তা খুঁজে বার করল। ছেলে: বাবা.. আমি দূরের জিনিস ভালো করে দেখতে পাই না। ডাক্তার দেখিয়ে একটা চশমা নেওয়া দরকার। বাবা: ওপরে তাকা। কী দেখা যায়, বল? ছেলে: সূর্য। বাবা: ব্যাটা, আর কত দূর তুই দেখতে চাস?
প্রতিদিন সকালে গল্টু হাঁটতে হাঁটতে স্কুলে যায়। স্কুলের পাশেই ছিল থানা। থানার সামনেই দশ জন মোস্ট ওয়ান্টেড ব্যক্তির ছবি টাঙানো। ছবিগুলো খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখে সে চিৎকার করে উঠল। এই দেখে তার পাশের বন্ধু টি বলল.. ‘কী রে এত চিৎকার করছিস কেন?’ পল্টু বলল.., ‘আরে দেখেছিস কেমন ভাগ্য! আমার বাবাকে দেশের এখন কত্ত প্রয়োজন! তোর বাবা কি এত বড় হতে পেরেছে নাকি! তো, চিৎকার করব নাকি কাঁদব!

Post a Comment

0 Comments
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.