শিক্ষক: যদি তোমার একটি আপেল থাকতো এবং তুমি আমাকে অর্ধেক দিতে বলতো, তোমার কি থাকতো? ছাত্র: একটি খারাপ লেনদেন!
শিক্ষক: তুমি দেরি কেন? ছাত্র: আমি এখানে পৌঁছানোর আগে ক্লাস শুরু হয়ে গিয়েছিল।
শিক্ষকঃ তুমি তোমার খাতা খাচ্ছ কেন? ছাত্র: আপনি বলেছেন তথ্য হজম করা অপরিহার্য!
শিক্ষক: কেন তুমি ক্লাস একটু দেরি করেছ? ছাত্র: কারণ আমি বোধগম্যতার সীমানা পর্যন্ত চলে যাচ্ছিলাম।
শিক্ষক: কে ”I Love You” আবিঙ্কার করেছে ?? ছাত্র.: CHina কোমপানী| শিক্ষক: (অবাক হয়ে) কীভাবে বুঝলে বাবা?? ছাত্র: এর কোন "গ্যারান্টি" নাই "কোয়ালিটি" ও নাই…. টিকলে সারাজীবন টিকে না টিকলে ২ দিন ও টিকে না |
শিক্ষক: চোর সম্পর্কে একটা ভালো উদাহরণ দিতে পারবে? ছাত্র: চোর পালালে বুদ্ধি বাড়ে, অতএব নিজের বুদ্ধি বাড়ানোর জন্য চোর কে সবসময় পালাতে দিতে হবে।
Class 1 এর বল্টুকে শিক্ষকের প্রশ্ন: শিক্ষকঃ বলতো বল্টু সবচেয়ে হাসিখুশি প্রাণী কোনটি? বল্টুঃ হাতি স্যার! শিক্ষকঃ কেন? বল্টুঃ আপনি সব সময় দেখবেন, হাতি খুশিতে সব সময় তার দাত বের করে রাখে ।
শিক্ষক জিজ্ঞেস করলেন তার ছাত্রকে, বলোতো দেখি.. 'মুরগি কেন জিরাফের মতো লম্বা হয় না ?’ ছাত্র মাথা চুলকাতে চুলকাতে বলল, ‘স্যার.., তাহলে তো মুরগি ডিম পাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ডিমটা মাটিতে পড়ে ফেটে যেত । আমাদের আর ডিম খাওয়া হতো না!’
শিক্ষক: যারা একেবারে গাধা বা নির্বোধ তারা ছাড়া বাকি সবাই বসে পড়ো। শিক্ষক দেখলেন সকল ছাত্র বসলেও একজন দাড়িয়ে আছে। শিক্ষক: কিরে, তুই গাধা নাকি নির্বোধ ? ছাত্র: না স্যার..! মানে আপনি একা দাড়িয়ে আছেন এটা ভাল দেখাচ্ছেনা, তাই…
শিক্ষকঃ আচ্ছা সুমন বলতো একটা মোরগের ডিম টিনের চালে রাখা হল তখন কী হবে? সুমনঃ যে দিকে ঢালু, ডিম টা সেদিকে গড়িয়ে পড়বে। শিক্ষকঃ গুড। এ সময় ক্লাসের আরিফ হাত তুলল। শিক্ষকঃ তুমি কী বলতে চাও? আরিফঃ স্যার, ডিমটা পড়বেনা, শূণ্যে ভেসে থাকবে। শিক্ষকঃ মানে? আরিফঃ এটা মোরগের পাড়া ম্যাজিক ডিম তো, তাই।
শিক্ষক : কি রে মন খারাপ কেনো? ছাত্র : কৈ না তো সার.. শিক্ষক : আরে বাবা লজ্জা পাস না, বন্ধু ভেবে বলে ফেল ! ছাত্র : ...আর বলিস না দোস্ত, তোর মেয়ে আর আমাকে আগের মতো ভালবাসে না!!! শিক্ষক বেহুশ...
স্যার ক্লাশে পড়াচ্ছেন, হঠাৎ এক ছাত্র হঠাৎ দাড়িয়ে বলল.. ছাত্র : স্যার স্যার….মুতব! স্যার : যা,তাড়াতাড়ি আসবি…যত্তসব। কিছক্ষন পর আবার অন্য এক জন ছাত্র দাড়িয়ে বলল… ছাত্র : স্যার….. মুতবো! স্যার রেগে গিয়ে বললো এই, তোদের মুখ দিয়ে কি প্রসাব বের হয় না ? ছাত্র : না স্যার,আপনার বের হয় ?
শিক্ষক ও ছাত্রের কথোপকথন: শিক্ষক : তুমি কি বলবে Dialog নাকি Paragraph? ছাত্র : Dialog বলব Sir. শিক্ষক : ঠিক আছে বলো। ছাত্র : শালা মারব এখানে লাশ পড়বে শসানে!! শিক্ষক : কি! ছাত্র : আমি তোর বাপ ফাটাকেষ্ট!
শিক্ষক ছাত্র-ছাত্রীদের বলছেন কে কি হতে চায় ভবিষ্যতে- রানা : আমি পাইলট হতে চাই। সুমিত : আমি ডাক্তার হতে চাই। লিজা : আমি এক জন ভালো মা হতে চাই। রোকন : আমি লিজাকে সাহায্য করতে চাই।!
শিক্ষক আর ছাত্রের সাথে কথা হচ্ছে : শিক্ষক : কিরে, কাল তোর পরিক্ষা না.. এখনো ঘোরা - ঘুরি করছিস ? ছাত্র : হ্যাঁ স্যার!!! কিন্তু একটা সমস্যা.. শিক্ষক: কি সমস্যা বল ? ছাত্র: স্যার, আমার বাল কেটে লাল করে দিন ! শিক্ষক: কি ! হারামজাদা রাখ তোর বাপের কাছে বলতেছি। ছাত্র : স্যার, আসলে আপনি যা ভাবছেন তা না। শিক্ষক: কি তাহলে ? আমার সাথে ইয়ার্কি!! ছাত্র : না স্যার.।আমার নাম করিম লাল। কিন্তু Admit এ ভুল করে করিম বাল লিখছেন। তাই বলছিলাম যদি বাল টা কেটে লাল করে দিতেন...
দুই ছাত্র, মারামারি করছে । শিক্ষক: এইতোরা মারামারি করছ কেনো ? ১ম ছাত্র: স্যার, ও আমার গার্লফ্রেন্ডকে কিস করেছে! শিক্ষক: তোর গার্লফ্রেন্ডটা কে ? ১ম ছাত্র: আপনার মেয়ে! শিক্ষক: থামলি কেনো ? মার শালাকে…
ছাত্র, ছাত্রী ও শিক্ষক! স্যার ক্লাসের ছাত্র ছাত্রীদের বললঃ একটা গান করোতো.. ছাত্র ছাত্রীঃ Ok.. স্যার । ছাত্রীঃ আতা গাছে তোতা পাখি.. নারকেল গাছে ডাব । ছাত্রঃ তোরে আমি বিয়ে করবো, কি করবে তোর বাপ ?? স্যারঃ It’s 100% Love.. Love.. Love.
শিক্ষক : যদি তোমরা কখনো দেখ কেউ পানিতে ডুবে যাচ্ছে, তখন সঙ্গে সঙ্গে তার চুল ধরে পানি থেকে উদ্ধার করবে। তখন একথা শুনে এক.. ছাত্র বলল : স্যার আপনি যদি ডুবে যান তাহলে উদ্ধার করবো না। শিক্ষক : কেন? আমি আবার কি অপরাধ করলাম! ছাত্র : কারণ! আপনার ছাদে তো মাল নেই। শিক্ষক : কি বলতে চাস হারামজাদা ? ছাত্র : মানে.. আপনার মাথায় তো চুল নেই।
শিক্ষক: তুমি H.S.C এর পূর্ন মিনিং বলো। ছাত্র: এতো এক্কেরে সোজা। H=হেডমাষ্টার, S= স্যান্ডেল, C= চুর। শিক্ষক ‘হারামজাদা শয়তান ছেলে’ ছাত্র: জ্বী স্যার, আপনেরটাও ঠিক আছে ! শিক্ষক: Shokzzz_ ছাত্র: Rokzzz_ [লুল]
স্যার - ৫টি ফুলের নাম বলো ? ছাত্র - আপনার মেয়ে দেখতে বিউটিফুল, হাসলে লাগে ওয়ান্ডারফুল, ফিগারটা কিন্তু হাউসফুল, আমার নাম সাইফুল, আমার শশ্বুর আশরাফুল।
কলেজের শিক্ষক বললেন .. খাতায় সবাই নিজের ভালবাসার মানুষটির নাম লেখো। ছেলেরা পাঁচ সেকেন্ড এর মধ্যে খাতা জমা দিয়ে দিল কিন্তু.. মেয়েরা পাঁচ মিনিট পর বলল.. লুজ পেপার Please..! সবাই কি বুঝলেন ?....
শিক্ষক ছাত্রদের উদ্দেশে বললেন কে বেশি অলস, ‘আমি ঠিক করেছি । তোমাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি অলস যে, তাকে পড়া দিতে হবে না। কে সবচেয়ে অলস? ৪৯ জন ছাত্র হাত তুলল। হাত না তোলা ছাত্রকে স্যার জিজ্ঞেস করলেন, ‘তুমি হাত তুলছ না কেন?’ ছাত্র উত্তর দেয় স্যার, হাত তুলতে কষ্ট হয়। শিক্ষকঃ কি নাম তোমার? ছাত্রঃ MP শিক্ষকঃ মানে কি ? ছাত্রঃ মদন পাল। শিক্ষকঃ তোমার বাবার নাম কি? ছাত্রঃ MP- মানে মোহন পাল স্যার। শিক্ষকঃ শিক্ষাগত যোগ্যতা ? ছাত্রঃ MP শিক্ষকঃ এর মানে আবার কি ? ছাত্রঃ মেট্রিক পাস। শিক্ষকঃ কি কারনে চাকুরি দরকার ? ছাত্রঃ MP-মানি প্রবেলেম । শিক্ষকঃ আপনি এখন আসুন.. ছাত্রঃ আমার রেজাল্টটা স্যার ? শিক্ষকঃ MP ছাত্রঃ মানে স্যার? শিক্ষকঃ মেন্টালি পাংচার!
মহিলা শিক্ষক ইংরেজি ক্লাস নিচ্ছেন। মহিলা শিক্ষকঃ সবাই HAND দিয়ে একটা Sentence লিখ।যে সবার আগে লিখতে পারবে তার জন্য আছে পুরস্কার । রাজুঃ My penis in your hand. মহিলা শিক্ষকঃ এক থাপ্পর দিয়ে দাঁত ফেলে দেবো । এটা কি লিখছো ? রাজুঃ Sorry.. ম্যাডাম, তাড়াতাড়ি লিখতে গিয়ে Pen আর is এর মাঝে Space দিতে ভুলে গেছি।
দুষ্টু ছাত্র ও শিক্ষক এর কথোপকথন : শিক্ষকঃ বলত এভারেস্ট কোথায়? ছাত্রঃ জানি না। শিক্ষকঃ এটাই জানো না! কানে ধরে বেঞ্চের উপরে দাড়ালেই সব কিছু জানতে পারবে ! ছাত্রঃ কেন স্যার ? কানে ধরে বেঞ্চের উপরে দাড়ালে কি এভারেস্ট দেখা যাবে ?
শিক্ষকঃ মাহীন, বলোতো ACC তে কি হয়? মহীঃ এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল, স্যার। শিক্ষকঃ ভালো। এবার অনিক তুমি বলো BB তে কি হয়? অনিকঃ বাংলাদেশ ব্যাংক, স্যার। শিক্ষকঃ খুব ভালো, এবার রকি তুমি বলো, ESPN এ কি হয়? রকিঃ সারাদিন শুধু খেলা হয় স্যার।
ক্লাসে শিক্ষক তার সোনার আংটি টা একটা গ্লাসের পানিতে ডুবিয়ে ছাত্র কে প্রশ্ন করলেন। শিক্ষকঃ বলতো, এই আংটিটা তে মরিচা ধরবে কি না? ছাত্রঃ ধরবে না স্যার। শিক্ষকঃ গুড, ভেরি গুড। আচ্ছা বলতো, কেন ধরবে না? ছাত্রঃ স্যার, আপনি জ্ঞানীগুণী লোক। যদি পানিতে রাখলে মরিচা ধরতো, আপনি কখনই আপনার সোনার আংটি পানিতে রাখতেন না।
স্যার ক্লাশে সবাইকে ক্রিকেট ম্যাচ নিয়ে রচনা একটি লিখতে দিয়েছেন। মন দিয়ে সবাই লিখে চলছে। ৩-৪ মিনিট পরেই স্যার হঠাৎ দেখেন রন্টি জানালা দিয়ে উদাস নয়নে বাইরের মাঠের দিকে তাকিয়ে আছেন। রন্টি কে স্যার ঝাড়ি দিয়ে জানতে চাইলেন.. ‘এই তুমি লিখছো না কেন?’ রন্টি: স্যার আমার লেখা হয়ে গেছে! স্যার: মানে ? কই তোমার খাতা দেখি ? স্যারকে রন্টি খাতা এগিয়ে দিলেন, স্যার দেখলেন খাতায় লেখা রয়েছে ‘বৃষ্টির কারনে ম্যাচ পরিত্যাক্ত ঘোষনা করা হলো।’
শিক্ষক : ৫টা ফুলের নাম বলো? ছাত্র : ৩ টি গোলাপ আর ২ টি জবা। শিক্ষিকা : লেখো ৫৫। ছাত্রী : কিভাবে মিস? শিক্ষিকা: প্রথমে একটা ৫ লেখো তারপর আবার আরেকটা ৫। ছাত্রী একটা ৫ লিখে থেমে গেলো। শিকিা : কি হলো? ছাত্রী : কোনপাশে লিখবো বাঁপাশে না ডানপাশে?
শিক্ষকঃ বলোতো.. কোনটি আমাদের জন্য বেশি গুরুত্বপূর্ণ, চাঁদ না সূর্য ? ছাত্রঃ চাঁদ, স্যার। শিক্ষক(অবাক হয়ে): কেন? ছাত্রঃ চাঁদ আমাদের রাতে আলো দেয় যখন আমাদের প্রয়োজন হয় কিন্তু সূর্য দিনে দেয় যখন আমাদের প্রয়োজন নেই।
গৃহশিক্ষকঃ সবাই আমার সঙ্গে সঙ্গে বল, লেখাপড়া করে যে গাড়ি - ঘোড়া চড়ে সে। ছাত্রঃ স্যার, এই কথাটা ঠিক না। শিক্ষকঃ কেনো? ছাত্রঃ কারন, আপনি তো অনেক লেখাপড়া করেছেন! তাহলে আপনি রোজ পায়ে হেঁটে আমাকে পড়াতে আসেন কেন?….
শিক্ষকঃ বলো তো বাতেন, ভেজাল এর বিপরীত কি? বাতেনঃ খাঁটি স্যার। শিক্ষকঃ গুড। বাতেনঃ ব্যাড। শিক্ষকঃ (রেগে) বেআদব! বাতেনঃ আদব। শিক্ষকঃ (আরো রেগে) ওঠ! বাতেনঃ বস।
স্যারঃ শেরশাহ প্রথম ঘোড়ার ডাকের প্রচলন করেন । ছাত্রঃ কেন স্যার, এর আগে কি ঘোড়ারা ডাকতে পারতো না? স্যার ছাত্রকে প্রশ্ন করছে। স্যারঃ মিঠু, বলতো গরু আমাদের কি দেয়? মিঠুঃ গরু? গরু আমাদের গুঁতো দেয় স্যার!!
শিক্ষক ছাত্রকে বললেন, তুমি লেখা পড়ায় খুব খারাপ করছো, কাল তোমার বাবাকে স্কুলে আসতে বলবে, তার সাথে পরামর্শ করতে হবে । ছাত্রঃ কিন্তু তার জন্য যে ফি লাগবে স্যার । শিক্ষকঃ ফি! কিসের জন্য? ছাত্রঃ আমার বাবা যে উকিল। ফি ছাড়া তো তিনি পরামর্শ করেন না ।
শিক্ষকঃ বলো তো জহির, শিক্ষকদের স্থান কোথায়? জহিরঃ কেনো স্যার, আমার পেছনে। শিক্ষকঃ (রেগে গিয়ে) শিক্ষকদের শ্রদ্ধা করতে শেখোনি। তোমার কিছু হবে না ! জহিরঃ কেন স্যার।আমার বাবা তো প্রায়ই বলেন, তোর পেছনে অতো মাস্টার লাগালাম, তবুও তুই পাশ করতে পারলি না?
স্কুলে বার্ষিক পরীক্ষা শুরু হলো। পরীক্ষার হলে এক ছাত্রী জোরে জোরে কাঁদছে। শিক্ষকঃ তুমি কাঁদছ কেন? ছাত্রীঃ আমার রচনা কমন পড়েনি। শিক্ষকঃ কেন? কী এসেছে? ছাত্রীঃ এসেছে ‘ছাত্রজীবন’। স্যার, আমি তো ছাত্রী। ‘ছাত্রজীবন’ কীভাবে লিখবো।
বাংলা ব্যাকরণ পড়ানোর সময় শিক্ষক অন্যমনস্ক এক ছাত্র কে বললেন, এই ছেলে.. সর্বনাম পদের ২ টা উদাহরণ দাও তো। ছেলেটি হচকচিয়ে দাঁড়িয়ে বললো, ‘কে ? আমি ?’ শিক্ষক: গুড, হয়েছে। বসো।
শিক্ষক: রনি, এই ম্যাপে দেখাও তো দেখি আমেরিকা কোথায়? রনি গিয়ে দেখিয়ে আসার পর... শিক্ষক: ভেরি গুড। এবার জনি বলতো, আমেরিকা কে আবিস্কার করেছেন? জনি: রনি, স্যার।
অঙ্কের ক্লাশ চলছে। শিক্ষক এক ছাত্রকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘১৫ জন মিলে একটা দেয়াল গাঁথতে ১২ ঘণ্টা সময় লাগে। ৫ জন মিলে সেই দেয়াল গাঁথতে কতোক্ষণ সময় লাগবে?’ পড়ারটি উত্তর দিলো- ‘ঐ দেয়াল আবার গাঁথতে যাবে কেনো? দেয়াল তো আগের ১৫ জনই গেঁথে দিয়েছে!’
স্কুল পরিদর্শনে এসে ক্লাস নাইনের রুমে ঢুকলেন পরিদর্শক। তখন ইতিহাস ক্লাস চলছিলো। ফার্স্ট বয়কে ডেকে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘বলোতো, সোমনাথের মন্দির কে ভেঙেছিলো?’ ফার্স্ট বয়: (ভয় পেয়ে) আমি ভাঙিনি স্যার, বিশ্বাস করেন, স্যার, আমি কোনোরকম ভাঙচুর করিনি! আমাকে মাফ করে দেন স্যার। পরিদর্শক তখন ক্লাস টিচারের দিকে তাকিয়ে বলছেন.. ‘আপনার ছাত্র এসব উল্টা পাল্টা কি বলে ?’ শিক্ষক: উল্টা পাল্টা নয় স্যার। আমি ওকে সেই ছোটবেলা থেকেই চিনি। খুব ভালো ছেলে স্যার। মন্দির-মসজিদ ভাঙার মতো কোনো কাজ ও করতেই পারেনা। পরিদর্শক রেগে গিয়ে হেডমাস্টারের কাছে জানতে চাইলেন, ‘এর একটা বিহিত করুন। আপনার সামনেই আপনার ছাত্র আর শিক্ষক মিলে এগুলো কি কথা বলছে?’ প্রধান শিক্ষক: আপনার হয়তো একটু ভুল হচ্ছে স্যার। আমি ইতিহাস শিক্ষককে ব্যক্তিগত ভাবে চিনি। সৎ ও সত্যবাদী মানুষ। আমার ছাত্র যদি মন্দির ভাঙতো, তাহলে তিনি সেটা নিশ্চয়ই বলতেন। তাছাড়া আমার ছাত্ররাও খুব ভালো স্যার, ওরা জানালার কাঁচ পর্যন্ত ভাঙেনা, আর আপনি বলছেন মন্দির ভাঙা। আপনি সত্যি সত্যি ভুল করছেন স্যার। পরিদর্শক: !!??!!
শিক্ষক একদিন ক্লাশে তার ছাত্রদের কে 'অতিথি' পাখি সম্পর্কে বলছিলেন। ঐ যে, যে পাখিগুলো শীতকালে শীতের হাত থেকে বাঁচার জন্য শীতের দেশ থেকে উড়ে উড়ে গরমের দেশে চলে আসে। তো শিক্ষক বলতে বলতে ছাত্রদের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন করলেন, ‘আচ্ছা, তোমরা কি বলতে পারবে, অতিথি পাখিরা শীতকালে এতো দূরে উড়ে আসে কেনো?’ এক ছাত্র তখন তখনই দাড়িয়ে উত্তর দিলো, ‘এতো দূর তো আর হেঁটে আসা সম্ভব নয়, তাই উড়ে উড়ে আসে!’
বিজ্ঞান ক্লাস চলছে। শিক্ষক বোঝাচ্ছেন, আমাদের জন্য অক্সিজেন কতো প্রয়োজনীয়। ‘আমরা আমাদের নিঃশ্বাসের সাথে অক্সিজেন গ্রহণ করি। সারাটা দিন আমরা নিঃশ্বাসের সাথে অক্সিজেন গ্রহণ করি। তাহলে রাতে আমরা নিঃশ্বাসের সাথে কি গ্রহণ করি?’ সামনের বেঞ্চ থেকে এক ছাত্র বললো, ‘নাইট্রোজেন, স্যার!’
টীচার: এই ছেলে তুমি ক্লাসে ঘুমাচ্ছ কেন? স্টুডেন্টঃ- ম্যাডাম আপনার কন্ঠ এত সুন্দর… শুনতে শুনতে কখন যে ঘুমিয়ে পড়েছি টের ই পাইনি…! টীচারঃ- তাহলে অন্য স্টুডেন্টরা কেন ঘুমাচ্ছে না? স্টুডেন্টঃ- কারন ওরা আমার মত আপনার কথা মনোযোগ দিয়ে শুনছে না, তাই
রতন আজকে ক্লাসে দেরি করে এসেছে। আর যায় কোথায়, কুদ্দুস স্যার ওকে ক্যাঁক করে পাকড়াও করলেন। তার জোড়াবেতে তেল দিতে দিতে জিজ্ঞেস করলেন, ‘কি হে রতন, এতো দেরি করে এলে কেন? রাস্তায় খুব জ্যাম ছিলো বুঝি?’ রতন গো-বেচারার মতো মুখ করে বললো, ‘আজ্ঞে না স্যার। আমি তো ঘুমাতে ঘুমাতে স্বপ্ন দেখছিলাম। দেখছিলাম কি, আমি ফুটবল ম্যাচ খেলছি। তো ৯০ মিনিট শেষ হয়ে গেলো, কেনো দলই কোনো গোল দিতে পারলো না। খেলা অতিরিক্ত সময়ে গড়ালো। তাতেও কোনো গোল হলো না। এরপরে হলো টাইব্রেকার। তাতে অবশ্য আমরাই জিতলাম। কিন্তু এই অতিরিক্ত সময়ও তো আমাকে ঘুমাতে হলো। নইলে যে খেলাটাই পণ্ড হয়ে যায়। আর তাতেই দেরি হয়ে গেলো! কি করবো স্যার, পুরো খেলা তো আর নষ্ট হতে দেয়া যায় না, তাই না স্যার?’
কলেজে যুক্তিবিদ্যার ক্লাস চলছে.. এমন সময় শিক্ষক এক ছাত্রকে দাঁড় করালেন এবং বললেন.. শিক্ষকঃ আচ্ছা ধর, তুমি চেয়ারে বসেছ চেয়ার মাটিতে স্পর্শ করে আছে অর্থাৎ তুমি মাটিতে বসেছ। এ রকম একটা উদাহরণ দাও তো? ছাত্রঃ ধরুণ স্যার, আপ্নিন মুরগী খেয়েছেন আর মুরগি কেঁচো খেয়েছে সুতরাং আপনি কেঁচো খেয়েছেন।
শিক্ষকঃ খুব হয়েছে । বস।
বিদ্যালয় নিয়ে মজার জোকস | শিক্ষক দ্বিতিয় শ্রেণীর ছাত্রী পড়াচ্ছেন বাড়িতে শিক্ষকঃ বলতো ‘My Head’ মানে আমার মাথা। ছাত্রীঃ ‘My Head’ মানে স্যারের মাথা। ছাত্রীর বাবাঃ বল ‘My Head’ মানে আমার মাথা। ছাত্রীঃ ‘My Head’ মানে বাবার মাথা। ছাত্রীর ভাই, বল ‘My Head’ মানে আমার মাথা। ছাত্রীঃ ‘My Head’ মানে ভাইয়ার মাথা, এরপর মা। ছাত্রীর মাঃ বল ‘My Head’ মানে আমার মাথা। ছাত্রীঃ এবার বুঝেছি ‘My Head’ মানে সবার মাথা।
শিক্ষকঃ বলো তো ! টেবিলে যদি পাঁচটা মাছি থাকে, আর একটি মাছি থাপ্পর দিএয় মেরে ফেলা হয় তাহলে টেবিলে আর কয়টা মাছি থাকবে? ছাত্রঃ একটা স্যার। শিক্ষকঃ অবাক হয়ে, কিভাবে? ছাত্রঃ সবগুলো উড়ে যাবে, শুধু মরাটা পড়ে থাকবে।
গতকাল তোমরা প্রিন্সিপাল স্যারের বাসার পাশ থেকে আম চুরি করে খেয়েছ ? জি না, স্যার! : সত্যি করে বলো, পরে জানতে পারলে কিন্তু কলেজ থেকে বের করে দেব। না স্যার, আমরা খাইনি। দেখো, আমরা কিন্তু সব রুম চেক করে দেখবো, কারও রুমে যদি বাকল বা দানা পাই, তাহলে কিন্তু খবর আছে! সমস্যা নেই, সব বাইরে ফেলে দিয়েছি।
শিক্ষক: ইমন, তুমি হোমওয়ার্ক করোনি কেন? ইমন: স্যার, আমি তো হোস্টেলে থাকি। আপনি হোমওয়ার্ক করতে বলেছেন, হোস্টেলওয়ার্ক তো করতে বলেননি।
নিবন্ধ লেখা প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়েছে সোহান। পুরস্কার হাতে পাওয়ার পর তাকে কিছু বলার জন্য অনুরোধ করা হলো। সোহান মঞ্চে দাঁড়িয়ে বলতে শুরু করল, ‘প্রথমেই আমি ধন্যবাদ দিতে চাই ইন্টারনেট, গুগল, উইকিপিডিয়া, মাইক্রোসফট অফিস এবং কপি-পেস্ট কে…।
ছাত্র - শিক্ষকের গল্প এটা, আমার বেশ লাগে। এক ইঁচড়ে পাকা ছাত্র স্যারের কাছে জানতে চাইল.. ‘স্যার, যে কাজটা আমি করিনি, তার জন্য কি শাস্তি পাব?’ কখনোই না। যেটা তুমি করোনি, তার জন্য কেন শাস্তি পােব।’ উত্তর দিলেন স্যার। এবার ছেলেটি বলল, ‘স্যার, গতকাল আমাকে যে পড়া আর হোমওয়ার্ক দিয়েছিলেন, সেটা আমি করিনি। আশা করছি, আপনি কথা রাখবেন।
পল্টু এক দিনও পড়া পারে না। কিন্তু সেদিন হঠাৎ জীবন বিজ্ঞান ক্লাসে শিক্ষক পড়া ধরায় হাত তুলল সে। স্যার: ..আরে বাহ্ ! পল্টু বল তো সালোক সংশ্লেষণ কাকে বলে? পল্টু: (মাথা চুলকে) স্যার পড়ে এসেছি। কিন্তু মনে পড়ছে না। স্যার: কতটা মনে আছে? পল্টু: স্যার, শেষের দিকটা। স্যার: ঠিক আছে। শেষের দিকটাই বল। পল্টু: একেই সালোকসংশ্লেষণ বলে ।
ইতিহাস ক্লাস চলছে। বাথরুম থেকে ফিরে ছাত্র বলছে¬ ছাত্রঃ আসতে পারি স্যার। শিক্ষকঃ তুই কখন বাইরে গিয়েছিলি মনে আছে ? ছাত্রঃ হ্যাঁ স্যার। পানি পথের দ্বিতীয় যুদ্ধের ঠিক পাঁচ মিনিট পর।
গৃহশিক্ষকঃ গতকাল বলেছিলাম যে, ৪ টি ইংরেজী বাক্য শিখে রাখতে, তা শিখেছ ? ছাত্রঃ নো স্যার । গৃহশিক্ষকঃ কেন ? ছাত্রঃ নাউ আই অ্যাম বিজি স্যার । গৃহশিক্ষকঃ যতই ব্যাস্ত থাক তোমাকে বলতেই হবে । ছাত্রঃ ডোন্ট ডিষ্টার্ব মি ! গৃহশিক্ষকঃ কী! এত বড় সাহস ! ছাত্রঃ ইউ শার্ট আপ! গৃহশিক্ষকঃ বেয়াদব ছেলে ! তোমাকে। আমি পড়ানো না ! ছাত্রঃ কেন স্যার ? আমি তো চারটি ইংরেজী বাক্যই বলতে পেরেছি !
শিক্ষক: পিন্টু, ধরো, সকালবেলা তোমার মা তোমাকে ৫ টাকা দিলেন। বিকেলে তোমার বাবা তোমাকে আরও ৫ টাকা দিলেন। তাহলে দিন শেষে তোমার কাছে কী থাকবে? পিন্টু: স্যার ১০টা চকলেট!
ক্লাস ওয়ানের ঘরে এসে অদ্ভুত প্রশ্ন করলেন শিক্ষক। শিক্ষক: বল তো, সবচেয়ে হাসিখুশি প্রাণী কোনটি? পলাশ: হাতি স্যার! শিক্ষক: কেন? পলাশ: দেখেন না স্যার, খুশিতে সব সময় তার দাত বের করে রাখে।
শিক্ষক: বান্টি, বলো তো হাসার ইংরেজি প্রতিশব্দটি কী? বান্টি: লাফ। শিক্ষক: তাহলে হাসাহাসির ইংরেজি কি হবে? বান্টি: লাফালাফি স্যার!
শিক্ষক: ছাত্রকে ১৫ টি ফলের নাম জিজ্ঞাসা করলেন.. শিক্ষকের প্রশ্নের উত্তরে ছাত্র বলেন পেয়ারা, শিক্ষক বলেন ভাল হয়েছে। তারপর ছাত্র বলে আম, শিক্ষক বলেন ভাল হয়েছে। ছাত্র বলে আপেল, শিক্ষক বলেন ভাল হয়েছে। তাকে আরও ১২ টা ফলের নাম বলছে হবে.. সেই সময় ছাত্রের উত্তর একডজন কলা।
শিক্ষক পরীক্ষায় ছাত্রদেরকে চার পাতার একটা প্রবন্ধ লিখতে দিয়েছেন। বিষয়- "অলসতা" কী? এক ছাত্র ১ম তিন পাতা খালি রেখে চতুর্থ পাতায় বড় অক্ষরে লিখেছে এটি অলসতা!
মা: আজ স্কুলে কী করলে খোকা। খোকা: ‘যেমন খুশি তেমন লিখো’ খেললাম। মা: কিন্তু.. আজ কে না তোমার গণিত পরীক্ষা হওয়ার কথা? খোকা: ওটার কথাই তো বলছি!
শিক্ষক গরুর রচনা লেখার আগে অনেক গুলো সূত্র ছাত্রদের বুঝিয়ে বললেন। সবাই তা ঠিকঠাক বুঝেছে কিনা তা আবার পরখ করে নিচ্ছেন — শিক্ষকঃ আচ্ছা তুমি বলতো তোমার পায়ের জুতা টা কি দিয়ে তৈরী হয় ? ছাত্রঃ চামড়া দিয়ে স্যার । শিক্ষকঃ চামড়া কোথায় পাওয়া যায় ? ছাত্রঃ গরুর গা থেকে । শিক্ষকঃ আচ্ছা, এখন বলো দেখি, কোন সে জীব, যে তোমাদের পায়ের জুতো যোগায়, আবার নানা খাবার জিনিস ও সরবরাহ করে ? ছাত্রঃ আমার বাবা, স্যার।
শিক্ষকের প্রশ্ন এক বছরে কত রাত? ছাত্রের উত্তর ১০ রাত। শিক্ষক ছাত্রকে ব্যাখ্যা করতে বলেন। সেই সময় ছাত্রের উত্তর, নয় নব রাত্রি আর এক শিব রাত্রি। সেই শিক্ষক পরে আর কথা বলতে পারেননি!
শিক্ষকের প্রশ্ন? শিক্ষক ছাত্রকে জিজ্ঞাসা করলেন, এমন কী রয়েছে, যা অনুভব করতে পারি না, এছাড়াও তাকে ছাড়া বাঁচতে পারি না। ছাত্রের উত্তর হাওয়া। শিক্ষক বলেন ভাল হয়েছে। সেই সময় ছাত্র বলে আরও আছে। ইন্টারনেট কানেকশন ছাড়া এখন মানুষ বাঁচতে পারে না।
শিক্ষক ছাত্রকে প্রশ্ন করে বললেন, বলতো সেমিস্টার পদ্ধতিতে কী লাভ। ছাত্রের উত্তর লাভ সে জানে না। তবে অপমান বছরে দু'বার হয়ে থাকে।
টিচার: এই আবুল বলতো জনক কয় প্রকার? ছাত্র স্যার জনক হল ২ প্রকার একটা হল ‘ জাতির জনক ’ আর আরেকটা হল ‘ আশঙ্কাজনক ’( ছাত্র এত সোজা প্রশ্ন শুনে দাঁত কেলিয়ে ফটাফট দাড়িয়ে উত্তর দিল) টিচার উত্তর শুনে টিচার রেগে গিয়ে বলল, তোর উত্তর হয় নাই আরও এক প্রকার জনক আছে আমি তোরে এখন বেত দিয়া পিটাইমু আর সেইটা হবে তোর জন্য ‘ বিপদজনক ’ ছাত্র স্যার আপনেরটাও হয় নাই আরও এক প্রকার জনক আছে আমি এখন খিচ্চা দৌড় দিয়া পলামু আর সেইটা হবে আমার জন্য ‘ সুবিধাজনক ’ তখন পাশ থেকে আরেক ছাত্র উঠে বলল.. স্যার আর এক প্রকার জনক আছে আপনি যদি দৌড়াইয়া আবুইল্লারে না ধরে আনতে পারেন, তবে সেইটা হবে আপনার জন্য ‘ লজ্জাজনক ’।
শিক্ষকঃ বলো তো! টেবিলে যদি পাঁচটা মাছি থাকে, আর একটি মাছি থাপ্পর দিএয় মেরে ফেলা হয় তাহলে টেবিলে আর কয়টা মাছি থাকবে? ছাত্রঃ একটা স্যার । শিক্ষকঃ অবাক হয়ে, কিভাবে? ছাত্রঃ সবকটা উড়ে যাবে, শুধু মরাটা পড়ে থাকবে ।
শিক্ষকঃ তোমরা গতকাল ভাইস প্রিন্সিপাল স্যারের বাসার পাশ থেকে আম চুরি করে খেয়েছ? ছাত্রঃ. জি না, স্যার! শিক্ষকঃ সত্যি করে বলো, পরে জানতে পারলে কিন্তু কলেজ থেকে বের করে দেব । ছাত্রঃ না স্যার, আমরা খাইনি । শিক্ষকঃ দেখো, আমরা কিন্তু সব রুম চেক করব, কারও রুমে যদি বাকল বা বিচি পাই, তাহলে কিন্তু খবর আছে! ছাত্রঃ সমস্যা নেই, সব বাইরে ফেলে দিয়েছি । শিক্ষকঃ ইমন, তুমি হোমওয়ার্ক করোনি কেন? ইমন স্যার, আমি তো হোস্টেলে থাকি । আপনি Homework করতে বলেছেন, Hostel Work তো করতে বলেননি ।
নিবন্ধ লেখা প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়েছে সোহান । পুরস্কার হাতে পাওয়ার পর তাকে কিছু বলার জন্য অনুরোধ করা হলো । মঞ্চে দাঁড়িয়ে বলতে শুরু করল সোহান, ‘ প্রথমেই আমি ধন্যবাদ দিতে চাই Internet, Google, Wikipedia, Microsoft Office এবং Copy- Pest কে ।
ইংরেজী ক্লাস হচ্ছে শিক্ষকঃ “আমি যা জিজ্ঞেস করব তার ভালোমতো উত্তর দিবে। পাপ্পু বল Verb কি? পাপ্পুঃ “Verb বলতে আসলে বাইসাইকেল এর টায়ারের যে ভালভ থাকে তাকে বলা হয়” শিক্ষকঃ “এটা কি বললে তুমি?!” পাপ্পুঃ “একটা সম্পূর্ণ বাক্য স্যার” শিক্ষকঃ “তুমি কি পাগল?” পাপ্পুঃ “এটা একটা প্রশ্ন স্যার” শিক্ষকঃ “বেয়াদবি করবে না” পাপ্পুঃ “এটা একটা উপদেশ স্যার” শিক্ষকঃ “থামো!!থামাও এসব” পাপ্পুঃ “এটা একটা আদেশ স্যার” শিক্ষকঃ “তুমি একটা অসভ্য ছেলে” পাপ্পুঃ “এটা একটা মন্তব্য স্যার” শিক্ষকঃ “ক্লাস থেকে বের হয়ে যাও” পাপ্পুঃ “এটা একটা নির্দেশ স্যার” শিক্ষকঃ “ও খোদা!! এটা কিরকম ছেলে!!” পাপ্পুঃ “এটা বিস্ময়, স্যার” শিক্ষকঃ “খোদা এই ছেলেকে রহম কর” পাপ্পুঃ “এটা প্রার্থনা স্যার”
গরুর রচনা লেখার আগে শিক্ষক অনেক গুলো সূত্র ছাত্রদের বুঝিয়ে বললেন । সবাই তা ঠিকমত বুঝেছে কিনা তা আবার পরখ করে নিচ্ছেন — শিক্ষকঃ আচ্ছা তুমি বলতো তোমার পায়ের জুতা কি দিয়ে তৈরী হয়? ছাত্রঃ চামড়া দিয়ে স্যার । শিক্ষকঃ চামড়া কোথায় পাওয়া যায়? ছাত্রঃ গরুর গা থেকে । শিক্ষকঃ আচ্ছা, এখন বলো দেখি, কোন সে জীব, যে তোমাদের পায়ের জুতো যোগায়, আবার নানা খাবার জিনিস ও সরবরাহ করে? ছাত্রঃ আমার বাবা, স্যার ।
শিক্ষক: বলো তো গাড়ি তৈরি না হলে কেমন হতো? ছাত্র: কী যে মজা হতো। শিক্ষক: মজা হতো মানে? ছাত্র: প্রতিদিন দেরি করে স্কুলে যেতে পারতাম।
স্যার: ৫ টি ফুলের নাম বল। ছাত্র: বিউটিফুল, ওয়ান্ডারফুল, হাউজফুল, ইউজফুল, সুইমিংফুল। স্যার: হারামজাদা! ছাত্র: হারামজাদা না স্যার, হার্মফুল
শিক্ষক: খোকা, তুমি হোমওয়ার্ক করোনি কেন? ছাত্র : স্যার, আমি তো হোস্টেলে থাকি। শিক্ষক: তাতে কী হয়েছে? খোকা: আপনি তো হোমওয়ার্ক করতে বলেছেন, হোস্টেলওয়ার্ক তো করতে বলেননি।
স্যার : তুমি হোমওয়ার্ক করে আনো নি কেন? ছাত্র : স্যার,লোডশেডিং। তাই আলো ছিলো না. স্যার: মোমবাতি জ্বালালেই হতো ছাত্র: স্যার, লাইটার ছিলো না স্যার : লাইটার ছিলোনা কেন ? ছাত্র: স্যার ,বাবা যে রূমে নামাজ পড়ছিলো ওখানে ছিলো স্যার: তাহলে ..ওখান থেকে আনলে না কেন? ছাত্র: স্যার,আমার ওজু ছিল না স্যারঃ ওজু ছিল না কেন ? ছাত্র : পানি ছিল না স্যার. স্যার : কেন ছিল না ? ছাত্র : মোটর কাজ করছিলো না! স্যার : স্টুপিড মোটরে কি হয়েছিলো ? ছাত্র : স্যার , প্রথমেই তো আপনাকে বললাম , কারেন্ট ছিল না।
ইতিহাস ক্লাস চলছে । বাথরুম থেকে ফিরে জনৈক ছাত্র বলছে ¬ ছাত্রঃ আসতে পারি স্যার । শিক্ষকঃ কিরে তুই কখন বাইরে গিয়েছিলি মনে আছে? ছাত্রঃ হ্যাঁ স্যার । পানিপথের ২য় যুদ্ধের ঠিক পাঁচ মিনিট পর ।
শিক্ষক বান্টি, বলো তো' হাসার' ইংরেজি প্রতিশব্দটি কী? বান্টি লাফ । শিক্ষক তাহলে হাসাহাসির ইংরেজি কি হবে? বান্টি লাফালাফি স্যার!
শিক্ষক: পানিতে বাস করে এমন পাঁচ টি প্রাণীর নাম বল? ছাত্র: ব্যাঙ। শিক্ষক: আর ৪টা? ছাত্র: ব্যাঙের বাবা, মা, বোন আর দুলাভাই।
শিক্ষক: বল্টু, বল সন্ধি কাকে বলে? বল্টু: স্যার, প্রথমটুকু পারি না, শেষেরটুকু পারি। শিক্ষক ভাবলেন, বল্টুর মতন পচা ছাত্র সন্ধির শেষেরটুকু পারলেও অনেক ভালো।’ তাই তিনি বললেন, ‘আচ্ছা শেষেরটুকুই বল ‘ বল্টু: স্যার, শেষেরটুকু হলো...তাকে সন্ধি বলে।
শিক্ষক – পানিতে বসবাস করে এমন ৫টি প্রাণীর নাম বল ? ছাত্র – ব্যাঙ … শিক্ষক – আর ৪ টা ? ছাত্র – ব্যাঙের এর বাবা, মা, বোন আর ব্যাঙের ডার্লিং ।
শিক্ষক: বাতাস, নদী ও পানি- এই ৩ টির যে কোনো একটির ওপর ৩০ লাইন রচনা লিখ। ছাত্র: কী বলছেন স্যার! আমি তো কাগজের ছাড়া অন্য কিছুর ওপর লিখতে পারি না।
ছাত্র (ফোনে): Hello, স্যার আছেন? স্যারের স্ত্রী: না। উনি গতরাতে মারা গেছেন। ২ মিনিট পর আবার সেই ছাত্র, ছাত্র :- Hello, ভ? স্যারের স্ত্রী: উনি গতরাতে মারা গেছেন। ২ মিনিট পর আবার সেই ছাত্র, ছাত্র :- Hello, স্যার আছেন? স্যারের স্ত্রী: হারাম জাদা তোকে আর কতো বার বলব যে তিনি মারা গেছেন?? ছাত্র: আবার বলেন। শুনতে ভাল লাগে..
গৃহশিক্ষকঃ গত কাল যে বলেছিলাম ৪ টি ইংরেজী বাক্য শিখে রাখতে, তা শিখেছ? ছাত্রঃ নো স্যার । গৃহশিক্ষকঃ কেন? ছাত্রঃ নাউ আই অ্যাম বিজি স্যার । গৃহশিক্ষকঃ যতই ব্যাস্ত থাক তোমাকে বলতেই হবে । ছাত্রঃ ডোন্ট ডিষ্টার্ব মি! গৃহশিক্ষকঃ কী! এত বড় সাহস! ছাত্রঃ ইউ শার্ট আপ! গৃহশিক্ষকঃ বেয়াদব ছেলে! তোমাকে আমি পড়াবো না! ছাত্রঃ কেন স্যার? আমি তো চারটি ইংরেজী বাক্যই বলতে পেরেছি!
গৃহশিক্ষক ছাত্রকে পড়াচ্ছেন স্যার: অনেক সময় ‘কার’ যুক্ত করে কোনো ব্যক্তির পেশা পরিচয় বোঝায়। যেমন- সুর করেন যিনি সুরকার, গান লেখেন যিনি গীতিকার, ছড়া লেখেন যিনি ছড়াকার। এবার তুমি একটি উদাহরণ দাও। ছাত্র: যিনি প্রাইভেট পড়ান, তিনি প্রাইভেটকার।
শিক্ষক: না পড়া পারলে তোদের মাথার সব চুল ছিঁড়ে নেব! ছাত্র: এতদিনে বুঝলাম, আপনার মাথায় চুল নেই কেন!
পপ্রফেসর শেষ ক্লাসে ঘোষণা করলেন, ‘পরশু পরীক্ষা। কেউ কোনও অজুহাত দিয়ে পার পাবেন না। তবে খুব ঘনিষ্ট আত্মীয়র মৃত্যু বা গুরুতর শারীরিক অসুস্থতার ক্ষেত্রে পরিস্থিতি ভিন্ন। তখন পেছন থেকে এক ফাজিল ছেলে বললো, ‘তিরিক্ত মাত্রায় সেক্সজনিত ক্লান্তি হলে কি চলবে স্যার?’ ক্লাসে হাসির হুল্লোড় পড়ে গেলো। শব্দ থামার পর প্রফেসর বললেন,‘উহুঁ, সেক্ষেত্রে তুমি অন্য হাতে লিখবে।
শিক্ষকঃ মশা ও মাছি অনেক রোগ বহন করে, ওদের বংশ বৃদ্ধি রোধ করতে হবে। ছাত্র:হা হা হা হি হি হি হ শিক্ষক: হাসির কি হলো? ” ” ” ” ” ” ছাত্র: স্যার এতো ছোট বেলুন বানাবেন ক্যামনে!!!
শিক্ষক: আমি অত করে তোকে ইংরেজি শেখালাম, তুই কিনা ইংরেজিতে ফেল করলি? ছাত্র: স্যার, আমরা কি ইংরেজিতে পাস করার জন্য ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন করেছিলাম? শিক্ষক: সেইজন্য ইংরেজিতে তো ফেল করলি, আর অঙ্কে ফেল করলি কেন? হতভাগা, দশ আর দশে যোগফল কী হয়? আর শূন্যটি বাদ দিলি কেন? ছাত্র: স্যার, আপনি বলেছেন যে শূন্যের কোন মূল্য নেই। তাই যে জিনিসের মূল্য নেই, সে জিনিস লিখে লাভ কী? শিক্ষক: ইতিহাসেও তো ফেল করলি। একটিও প্রশ্নের উত্তর দিসনি, কেন বল? ছাত্র: কী করে দেব স্যার, সব ৫০০ বছর আগের ঘটনা নিয়ে প্রশ্ন? তখন কী আমার জন্ম হয়েছিল?
বিরাট ধনীর আদুরে কন্যা পরীক্ষার হলে গিয়ে দেখল গরীবদের ওপর রচনা লিখতে হবে । সে লিখতে শুরু করল - "একটি দেশে খুব দরিদ্র পরিবার বাস করত।" বাবা গরীব , মা গরীব , সন্তানরাও গরীব ছিলো। বাড়িতে ৪ জন কাজের লোক ছিল , তারাও গরীব। তাদের BMW গাড়িটাও ভাঙ্গাচোরা ছিল । বাচ্চাদের ছিল পুরনো আইফোন মোবাইল । বাড়িতে ছিল মাত্র ৪টা সেকেন্ড এয়ার কন্ডিশনার । পুরোপরিবারটা সত্যিকা অর্থেই গরীব । আসলেই গরীব ।
পরীক্ষার জন্য স্কুল টিচার এমন কিছু প্রশ্নপত্র বানিয়েছে যা দেখে সমস্ত শিক্ষার্থী বেঁহুস হয়েগেছে! প্রশ্নগুলো হলো: - ১/ বাংলাদেশ কোন দেশে অবস্থিত?! ২/ ১৫ এপ্রিল কোন তারিখে আসে?! ৩/ সবুজ রং কোন কালারের হয়?! ৪/ চোর কে বাংলা ভাষায় কি বলা হয়?! ৫/ কবি নজরুলের কবরে কাকে দাফন করা হয়েছে?
শিক্ষকঃ তোর লজ্জা করে না? বাংলায় মাত্র একুশ পেয়েও হাসছিস্.. ছাত্রঃ স্যার, আমি গর্ববোধ করছি —– শিক্ষকঃ ওরে গাধা … পিটিয়ে আজ তোকে..! ছাত্রঃ কেন স্যার ! গতকালই না আপনি বললেন একুশ নিয়ে আমাদের গর্ব ও অহংকার করা উচিত ।
শিক্ষক ও ছাত্রের মধ্যে কথা হচ্ছে- শিক্ষকঃ ‘বৃষ্টি পড়ছে’-এর Translation করো। ছাত্রঃ Rain is reading.
শিক্ষক: মানুষ যে পরিবর্তনশীল কে প্রমাণ করতে পারে? ছাত্র: আমি পারব স্যার? শিক্ষক: বল। ছাত্র: আমাদের প্রতিবেশীদের একজন যখন আমাদের সাথে আড্ডা দিত তখন আমি তাকে সবসময় "বড় ভাই" বলে ডাকতাম। তারপর তিনি যখন আমাদের বাড়ি টিউশনি করতে এলেন তখন তাকে স্যার বলে ডাকতাম। এরপর তিনি আমার বোনকে বিয়ে করলেন, এখন তিনি দুলাভাই।
স্যার ছাত্রকে প্রশ্ন করছে। স্যারঃ মিঠু, বলতো গরু আমাদের কি দেয়? মিঠু: গরু? গরু আমাদের গুতো দেয়।।।
শিক্ষক: চরিত্র গড়তে চাইলে এখন থেকে সকল নারীকে মা বলে ডাকা শুরু কর। ছাত্র: তাতে আমার চরিত্র টা তো ঠিক থাকবে কিন্তু আমার বাবার চরিত্র ?
শিক্ষিকা: লেখো ৫৫। ছাত্রী: কিভাবে মিস? শিক্ষিকা : প্রথমে একটা ৫ লেখো তারপর আরেকটা ৫। ছাত্রী একটা ৫ লিখে থেমে গেল। শিক্ষিকা: কি হল ? ছাত্রী: কোনপাশে লিখব বাঁপাশে না ডানপাশে?
শিক্ষক: তুমি দেরী করে আসলে কেন? বাবলু: সাইনের কারণে স্যার। শিক্ষক: কিসের সাইন? বাবলু: ওই যে লেখা ছিল, “সামনে স্কুল, আস্তে চলুন”।
শিক্ষক: “I killed a person” কে ভবিষ্যত কাল এ পরিবর্তন করো তো। ছাত্র: ভবিষ্যত কালে “You will go to jail”।
শিক্ষক: আমি তোকে ব্যাকটেরিয়ার ছবি আঁকতে বলেছি, আর তুই কিনা আমাকে একটি সাদা কাগজ দিলি... কেন? ছাত্র: স্যার, আমি তো ব্যাকটেরিয়ার চিত্র এঁকেছি। কিন’ আপনি তো তা খালি চোখে দেখতে পারবেন না।
ছেলে: বাবা আমি আর স্কুলে যাব না। বাবা: কেনরে খোকা, লেখাপড়া করতে ভালো লাগে না? ছেলে: তা নয়, স্কুলের টিচাররা কিছুই জানে না। সবসময় আমাকেই পড়া জিজ্ঞেস করে।
একটা ছেলে খুব পড়া চুরি করত । অতিষ্ট হয়ে ক্লাস টিচার একদিন তাকে বলল উঠে দাঁড়াও.. ছেলেটি দাঁড়িয়ে গেল তোমার বয়স কত ? বার বছর। বার বছর ? তোমার লজ্জা করা উচিত । কারন এ বয়সে নেপেলিয়ন অত্যন্ত কৃতিত্বের সাথে ক্লাশ ফোর পাশ করেছেন । এ কথা শুনে ছেলেটি চট করে বললো তাহলে আপনার তো লজ্জা করা উচিত যে আপনার মত বয়সে নেপেলিয়েন সম্রাট হয়ে বসেছিলেন।
এক শিক্ষাথীকে স্কুলইসপেক্টর বললেন আচ্ছা আপনি ছেলেদের অবজারভেশান সন্বন্ধে তামিল দেন তো? শিক্ষার্থী: জি হ্যাঁ.. ইন্সপেক্টর: দেখি ছেলেদের একটু পরীক্ষা করে । আচ্ছা ছেলেরা তোমরা চোখ বন্ধ করত। তারপর ইনসপেক্টর মুখে একটু শব্দ করে এবং বললেন আচ্ছা ছোকরা বলত আমি কি করলাম । পেছন থেকে একটা ছেলে মুখ বাড়িয়ে বলে উঠলো আপনি দিদিমনিকে চুমু দিয়েছেন ।
শিক্ষক: কোথায় রাণী এলিজাবেথকে রাজমুকুট পড়িয়ে দেওয়া হয়েছিলো? ছাত্র: মাথায় স্যার।
শিক্ষকঃ কিরে তুহিন, তোর আর কামালের গরুর রচনা হুবহু এক হলো কী করে? কামালঃ স্যার, আমরা দুজনে একই গরু দেখে এটা লিখেছি!
ইতিহাসের ক্লাশ চলছে . . . শিক্ষকঃ তুমি কি জানো, আলেকজান্ডার কে? ছাত্রঃ না স্যার! শিক্ষকঃ জানবেইবা কি ভাবে? যদি পড়াশুনায় মন দিতে তাহলে ঠিকই জানতে পারতে। ছাত্রঃ স্যার আপনি কি জানেন শামসু কে? শিক্ষকঃ না তো! ছাত্রঃ জানবেনইবা কি ভাবে? আপনার স্ত্রীর দিকে যদি মনোযোগ দিতেন তাহলে ঠিকই জানতেন পারতেন’।
ছাত্রীঃ স্যার দরজা জানালা বন্ধকরে দিন! স্যারঃ কেন? ছাত্রীঃ আপনাকে একটা গোপন জিনিস দেখাব!!! স্যারঃ সত্যি? (অবাক হয়ে) ছাত্রীঃ হ্যাঁ স্যার, আগে সব কিছু বন্ধ করে দিন যাতে আলো না আশে !! স্যারঃ তারপর?? আর? ছাত্রীঃ আমার কাছে আসেন স্যারঃ ওহ !! তারপর? আর কি করবো বলো? ছাত্রীঃ এবার দেখেন স্যার আমার ঘড়িতে লাইট জ্বলে !
স্যারঃ গোসল করে স্কুলে আসছ কে কে? মেয়েরাঃ স্যার আমরা সবাই গোসল করে আসছি। স্যারঃ ছেলেরা গোসল করে আসো নাই? ছেলেরাঃ না স্যার। স্যারঃ কেন? ছেলেরাঃ স্যার, মেয়েদের মত আমরা তো আর প্রতিদিন বিছানায় হিসু করিনা! Girls- Shockzz Boys- Rockzz
মেয়ের বান্ধবী ঐ মেয়ের বাসর রাতের আগেরদিন যা বলতো এবং বলে.. সাল-১৯৮০: বেশি লজ্জা পাইস না, তোর ই তো স্বামী। সাল-১৯৯০: ও যা চায় তাই করতে দিশ, এমনকি যদি কষ্টও লাগে তা অস্বীকার করবি। সাল-২০০০: আস্তে আস্তে করিস , বেশি উতলা হইস না, না হইলে ব্যথা লাগতে পারে। সাল-২০১৩: করার সময় জোরে জোরে চিৎকার দিশ যাতে ও বুঝতে পারে যে এটাই তোর প্রথম…
ডিয়ার মা, অনেক হয়েছে এবার আমাকে বিয়ে করার অনুমতি দাও। কষ্ট করে তোমাকে আর আমার জন্য বৌ খুঁজতে হবে না। আমিই জন্য একটা ফুটফুটে বৌ আমদানি করে দেব। ১৯বছর বয়সের জন্য অপেক্ষা করিয়া লাইফের বারোটা বাজাতে পারবো না। কোলবালিশের লগেও আর পীরিত করিতে পারবো না। আমার বৌ চাই!! দশটা নয় পাঁচটা নয় একটি বৌ চাইগো আম্মাজান! অতত্রব, আমি আশা করি তুমি তোমার পুত্রের মনোবাসনা পুরণের নিমিত্তে গ্রিন সিগন্যাল প্রদান করিয়া পুত্রবধুর মুখ দর্শন করিবার প্রত্যয় ব্যক্ত করিয়া আমাকে কুমার ঘুচাইয়া দেবে। ইতি তোমার হতভাগা ছেলে x
শিক্ষক:‘আমি একজন মানুষকে হত্যা করেছি’- এই বাক্যটিকে ভবিষ্যতের কালে পরিবর্তন করো.. ছাত্র: ‘আপনি শীঘ্রই জেলে যাবেন‘ ।
.png)
